1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ব্লাস্ট রোগে ধানে চিটা, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৬০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ব্রি ধান-২৮ জাতের বোরো ধানে বেশি ফলনের ভরসা রাখা কৃষকদের এখন ঘিরে ধরেছে ব্লাস্ট রোগের দুর্ভোগ। এই রোগে ধান হারানোর আশঙ্কা। ফলে ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি বছরের খাবার কীভাবে জুটবে, সেই দুশ্চিন্তায় কাটছে তাদের দিন।

উচ্চ ফলনশীল, আবার আগাম উঠে যায়—এ দুই কারণে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ব্রি ধান-২৮ এবং ব্রি ধান-২৯ জাতটি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় প্রায় তিন দশক ধরে অর্থাৎ ১৯৯৪ সাল থেকে বড় অবদান রাখছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত জাত দুটি। এরপর আরো অনেক ধান স্বীকৃতি পায়, কিন্তু কোনোটিই এ দুটির মতো দীর্ঘ মেয়াদে টিকতে পারেনি। সম্প্রতি ব্রি ২৮ ও ২৯ ধান তার কার্যকারিতা হারাচ্ছে, আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন রোগ-বালাইয়ে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ধান খেতে এই রোগটি দেখা গেছে । আক্রান্ত জমি থেকে ধীরে ধীরে রোগটি বিস্তার লাভ করে এবং আশপাশের জমিগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে এ রোগ ।

সরেজমিনে উপজেলার ছোট কুড়িপাইকা, আনোয়ারপুর, কল্যাণপুর, দ্বীজয়পুর, ধাতুরপহেলা, বাউতলা, পৌর এলাকার খালাজোড়া, দুর্গাপুর এবং  নারায়ণপুর ঘুরে একাধিক কৃষকের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, বোরো আবাদ শুরুর দিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, তেমন কোন রোগ-বালাইয়ের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়নি। কৃষকরা ভাল ফলনের আশা করেছিল। এরমধ্যেই ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ করাতে ফসলের ক্ষতির পরিমাণ কী হবে এখনো নির্ণয় করা যাচ্ছে না। বৈশাখের সোনালী ফসল রোগাক্রান্ত হয়ে ফলনে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের মুখের হাসি স্থবির হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর ইরি বোরো মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ৭শত হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তার মাঝে ব্রি ধান-২৮ ও ২৯ আবাদ হয়েছে ১৫শ হেক্টর জমিতে।

খালাজোড়া এলাকার কৃষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ মৌসুমে তার আবাদকৃত ৮ বিঘা জমির মধ্যে ৬ বিঘা জমিতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়। জমিতে ধানের শীষ মরে সাদা হয়ে গেছে । দূর থেকে জমির ধান পাকা দেখা গেলেও কাছে গেলে দেখা যায় শীষগুলো শুকিয়ে চিটা হয়ে মরে গেছে। দেড় লাখ টাকা সুদের ঋণ করে আবাদ করেছিলাম।আশা ছিল ফসল তুলে ঋণ পরিশোধ করবো। এখন আমার সবই শেষ হয়ে গেলো। কী করব বুঝতে পারছি না। পরিবার পরিজন নিয়ে খাব কি? আর

আরেক কৃষক আব্দুল কাইয়ুম জানান, দুই লাখ টাকা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ১৪ বিঘা জমিতে ইরি বোরো আবাদ করে ছিলেন। ফসল ঘরে তোলার সকল প্রস্তুতিও শেষ করেছিলেন। তার মধ্যে ৮ বিঘা জমিতে ব্লাস্ট রোগে আক্রমণ করেছে। এই পরিস্থিতিতে তার চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। এতে করে ঈদের আনন্দ ফিঁকে হয়ে গেছে এই কৃষকের।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহানা বেগম বলেন, উপজেলাতে এবার ইরি বোরো আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৭শত হেক্টর জমিতে, তার মধ্যে ১৫শ হেক্টর জমিতে ব্রি-ধান ২৮ এবং ২৯ আবাদ হয়েছে। এই বছর আবহাওয়ার কিছু তারতম্য থাকায় বিশেষ করে দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেশি থাকায় ও রাতের বেলায় কম থাকায় এবং যে কিছু জমিতে আগাম আবাদ করেছে সেই সব জমিতে ব্লাস্ট আক্রমণ হয়েছে। এই পর্যন্ত এই উপজেলাতে ২৬ হেক্টর জমিতে ব্লাস্ট আক্রমণ করেছে। এটি একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়, আমরা এখন কৃষকদেরকে ব্রি-ধান ২৮ জাতের ধানটি চাষ করতে নিরুৎসাহিত করে যাচ্ছি। ভয়ের কোনো কারণ নেই। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা যায়।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :