1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বাবার রক্ত বিক্রি করেও মেয়ে আশামনির চিকিৎসা করতে পারছেন না

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ২১১ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার পূর্বধলায় বিরল চর্মরোগ ইকথায়োসিসে আক্রান্ত হয়েছে স্কুলছাত্রী আশামনি। সে উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের মধুনাল গ্রামের রিকশাচালক আউলাদ হোসেনের মেয়ে ও মধুনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাস্তার পিচ ঢেলে দেওয়ার মতো আশামনির পুরো শরীরজুড়ে চামড়ার ওপর বিশেষ শক্ত আবরণ তৈরি হয়েছে। এ আবরণের কারণে চুলকানিসহ অসহ্য যন্ত্রণা সইতে হচ্ছে তাকে।

মা করুনা আক্তার বলেন, জন্মের ১৫ দিন পরই আশামনির পুরো শরীরই লালচে হয়ে যায়। পরে শরীরের চামড়া উঠে গিয়ে আবার লালচে হয়, এরপর আবার চামড়া উঠে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চামড়ার আবরণের ধরন পরিবর্তন হতে থাকে। শরীরজুড়ে পোড়া চামড়ার মতো মোটা হয়ে আছে।

বাবা আউলাদ হোসেন বলেন, আশামনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছি। কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। কয়দিন পরপর তাকে রক্ত দিতে হয়। আমি নিজে অনেকবার রক্ত দিয়েছি। চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাড় করতে গিয়ে নিজের রক্তও বিক্রি করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। দেশের বাইরে (ভারত) নিতে পারলে হয়তো সে ভালো হতো। তবে এতে অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের দিকে চেয়ে আছেন বাবা আউলাদ হোসেন।

ইউএনও শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে চেষ্টা করব।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :