
নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘণকুয়াশার কারণে আরিচা-কাজিরহাট ১৪ ঘন্টা এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। দীর্ঘ এসময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও যানবাহন চালকরা।আরিচা ফেরি পার হতে গাড়িগুলো আরিচা ঘাটের কাছে মহাসড়কের উপর দাড় করিয়ে রাখা হয়ে। এতে ট্রক চালকদের মোবাইল ও টাকা পয়সা খোয়া যাচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি সুত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যার পর পরই পদ্মা-যমুনা নদী অববাহিকায় ঘণকুয়াশা পড়তে থাকে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘনত্বও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে নৌপথ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেলে শুক্রবার রাত সোয়া ৮ টা থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৪ ঘন্টা আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এসময় ফেরি চিত্রা, শাহ আলী পাবনার কাজিরহাট প্রান্তে এবং হামিদুর রহমান ও ধানসিড়ি মাঝ নদীতে নোঙ্গর করে থাকে।
এদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ৭ টা থেকে শনিবার সকাল সোয়া ৭টা পর্যন্ত ১৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে। এতে তিনটি ফেরি শাহ মখদুম, এনায়েতপুরী ও ভাষা শহীদ বরকত যাত্রী ও যানবাহন বোঝাই নিয়ে মাঝ নদীতে নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয়। এছড়া পাটুরিয়া প্রান্তে ৬টি ফেরি হাসনাহেনা, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন,শাহ পরান,কেরামত আলী, ভাষা শহীদ বরকত ও বিএস ডাঃ গোলাম মাওলা ঘাটেই পন্টুনের সাথে বেধে রাখা হয়।
আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে’র ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ বলেন, শনিবার সকাল ১০টায় ঘণকুয়াশা কেটে গেলে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল চলাচল শুরু হয়েছে। পাটুরিয়া -দৌলতদিয়া নৌরুটে সকাল সোয়া ৭টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকেই পদ্মা-যমুনায় কুয়াশার পড়তে থাকে। শুক্রবার দিবাগত রাতে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে দূর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
Leave a Reply