
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানের পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে মা নিলুফা খানম পাগল প্রায়। তার জীবনও এখন আশঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান ওয়াইএকে-১৩০ বিধ্বস্ত হয়। এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর তাতে আগুন ধরে যায়।
এ সময় পাইলটরা বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে সক্ষম না হওয়ায় পরে দুই পাইলট প্যারাস্যুটের মাধ্যমে অবতরণ করেন। এ সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে বোট ক্লাবের পাশে নদীতে পড়ে। এতে বিমানের এক পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত আসিম জাওয়ান মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গোপালপুর এলাকার ডা. মোহাম্মদ আমানউল্লাহর ছেলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত, তার ছয় বছরের একটি ছেলে ও দেড় বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আসিম চট্টগ্রাম বিমানবাহিনীর ঘাঁটি জহরুল হকের অফিসার্স আবাসিক এলাকার নীলিমাতে বসবাস করতেন। আর তার মা-বাবা থাকেন মানিকগঞ্জ পৌর শহরের দাশড়া এলাকায়।
নিহত আসিম জাওয়ানের মামা বাংলাদেশ বেতারের মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা সুরুয খান জানান, আসিম জাওয়ান অত্যন্ত মেধাবী ছিল। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে তার মা এখন পাগল প্রায়। পরিবারটি এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা জানা নেই তার।
Leave a Reply