1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা শিবালয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে সেলফি বাস বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল শিবালয়ে কৃষকদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে জেলায় শ্রেষ্ট সন্মাননা ক্রেস্ট পেলেন শিবালয়ের ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার

২০ কেজি ধানে মিলে এক কেজি কাঁচা মরিচ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪
  • ১৫৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: কৃষি নির্ভর জেলা মেহেরপুরে কাঁচা মরিচের পর্যাপ্ত ফলন হলেও, বাজারে কমছে না দাম। ফলে বাজারে কৃষককে ২০ কেজি ধান বিক্রি করে এক কেজি কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম অযুহাত তুলে ব্যবসায়িরা মরিচের দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের পাইকারি কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে। স্থানীয় জাতের মরিচ ৪০০ টাকা কেজি ও জিয়া মরিচ ৫০০ টাকা কেজি দামে। একই সময় বাজারে নতুন ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকা মন দরে। ফলে ২০ কেজি ধান বিক্রি করলে এক কেজি কাঁচা মরিচ কিনতে পারছেন কৃষকরা।

বাজারে সবজি কিনতে আসা পাদুকা কারিগর গোপাল দাস জানান, প্রতিদিন বাড়িতে ১০০ গ্রাম মরিচ লাগে। যার দাম ৫০ টাকা। নিত্যাপণ্যের এমন দামবৃদ্ধিতে আয়ের সঙ্গে ব্যয় মেলাতে পারছেন না বলে তিনি জানান।

শ্রমজীবী নারী রাহেলা বেগম বলেন, ‘দাম শুনে মরিচ কিনতে পারিনি। পাইকারি বিক্রি করা মরিচের আড়তের ফেলে দেওয়া ফাটা, চটকানো মরিচ কুড়িয়ে নিয়েছি। তা দিয়ে দুদিন চলে যাবে।’

ঝাউবাড়িয়া গ্রামের মরিচচাষি রবকুল মন্ডল বলেন, ‘আমি প্রতিবছর একবিঘা জমিতে মরিচ চাষ করি। প্রতিবছরই ভালো ফলন ও লাভ হয়। এ বছর পর্যাপ্ত ফলন হয়েছে। পাইকারি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলাম। কয়েকদিন আগে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি।’

বাজারে খুচরা মরিচ বিক্রেতা সামাদ সরকার জানান, তারা আড়ৎ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনে খুচরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :