
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন। রোববার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য আদালতের কার্যতালিকায় উঠতে পারে।
মির্জা ফখরুলের অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ২২ নভেম্বর একই মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন নিম্ন আদালত।
এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি। আশা করি, কয়েক দিনের মধ্যেই জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য আদালতের কার্যতালিকায় উঠবে। তখন ফখরুলও জামিন পাবেন। এ একই মামলায় অভিযুক্ত শাহজাহান ওমর ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করে। মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। এর আগে গত ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে মির্জা ফখরুলকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।
Leave a Reply