
শাহজাহান বিশ্বাস: পাটুরিয়ায় ডুবে যাওয়া রজনীগন্ধার ফেরির সেকেন্ড ইঞ্জিন চালক হুমায়ন কবিরের খোঁজ এখনো মিলেনি।তিনি মোবাইল ফোন আনতে গিয়ে আর নামতে পারেনি বলে জানা গেছে। এব্যাপারে পৃর্থক দু’টি তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ৮টার দিকে ফেরিটির তলা ফেটে ডুবে যায়।উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।নিখোঁজ হুমায়ুন কবীর বিআইডব্লিউটিসি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের আরিচা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার বাড়ি পিরোজপুরের নলছিটি এলাকায়।এক ছেলে দুই মেয়ের জন ছিলেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শী ফেরি এক স্টাফ জানান ফেরি ডুবছে বলে কবির কয়েকজনকে নীচে নিয়ে আসে। এরপর হুমায়ুনকে মোবাইল ফোন নিতে নিচে নামতে যেতে দেখা যায়। তিনি নিচে ইঞ্জিন রুমে যাওয়ার পর ফেরিটি ডুবে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ফেরির আরেক কর্মচারী সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, ফেরিটি ডুবে যাওয়ার সময় সবাই বাচার চেষ্টা করছিলেন। এসময় হুমা্য়ন কবির নীচে নামলে আর উঠে আসতে পারেনি।
এব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার জানিয়েছেন, এই ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা জেসমিনকে প্রধান করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মতিউর রহমান বলেন, তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে।
Leave a Reply