1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

দুই দলের কর্মসূচিতে ভোগান্তি নগরবাসীর

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩
  • ২৪২ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা শহর খুবই গুরত্বপূর্ণ জায়গা। এই শহরে প্রতিটি মিনিটের পেছনে দৌড়াচ্ছে নগরবাসী। কিন্তু মঙ্গলবার নগরবাসীর কাছে ঢাকা শহর হয়ে যায় এক দুর্ভোগের শহর। কারওয়ান বাজারে আসাদ নামের একজন দাঁড়িয়ে ছিলেন বাস ধরবেন বলে। কিন্তু তিনি ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে কোনো বাসের দেখা পাননি। পরে নিরুপায় হয়ে আপন মনে গজগজিয়ে হাঁটা শুরু করেন। তার গন্তব্য ছিল সদর ঘাট।

দুপুর ২টার দিকে মালিবাগ মোড়ে কামাল নামের এক চাকরিজীবী দাঁড়িয়েছিলেন রিকশার জন্য। কিন্তু কোনো রিকশা পাননি। একটা রিকশা পেয়েছিলেন, কিন্তু ভাড়া চাইল ১০০ টাকা। তার গন্তব্য ছিল বাংলামোটর। মৌচাক মোড় থেকে বিএনপির মিছিল। কোন পথে তিনি যাবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে রুট পরিবর্তন করেন। রামপুরা এবং হাতিরঝিল হয়ে তাকে আসতে হয়েছে।

প্রেসক্লাব হয়ে মাসুদ নামের একজন রোগী নিয়ে শাহবাগে আসবেন। বাসে চড়ে যেন বোকা বনে গেছেন। কারণ মৎস্য ভবন থেকে রাস্তা বন্ধ। আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে। সারি সারি বাস, রিকশা আর সিএনজি যেন আটকে গেছে। ট্রাফিক পুলিশ রাস্তা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। মাইকে শোনা গেল, আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এর ফলে বিপাকে পড়েন ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা। আর ভোগান্তি আরও বেড়ে যায় সাধারণ মানুষের। বাসে বসে থাকা যাত্রীদের অনেকেই মন্তব্য করেন, ভোগান্তিতে ফেলে তারা শান্তি সমাবেশ করছেন। এই শান্তি সমাবেশ ছুটির দিনে করলে ক্ষতি কী? যানজটে পড়ে পথেই দীর্ঘসময় কাটাতে হয়েছে যাত্রীদের।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাচ্ছিলেন তৌহিদ নামের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আগারগাঁওয়ে বিএনপির ফটো সেশনে পড়ে তাকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে থেকে অনেক রাস্তায় বিএনপির পথযাত্রাকে ঘিরে যানজটের সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, চলন্ত অনেক বাস, গাড়ি থমকে যায়। আটকে থাকা যাওয়া যাত্রীরা খুবই বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, এই দুই দলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মানুষ যে নাজেহাল তারা কি বুঝতে পারে না? তারা কাদের জন্য রাজনীতি করে?

বিকাল ৪টার সময় অফিস ফেরত একজন কর্মকর্তা নিজের গাড়ি ছেড়ে হেঁটে বেইলি রোডের বাসায় ফেরেন। কিন্তু তার চিন্তা তার মেয়ে স্কুল থেকে আসবে কীভাবে?  গতকাল দুুই দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল ছাত্রছাত্রীরা। অভিভাবকরা অনেকেই নিজের সন্তানদের নিয়ে বাসায় ফেরেন খুব ঝুঁকির মধ্য দিয়ে। একজন অভিভাবক রাগতস্বরে জানালেন, আমাদের বাচ্চাদের স্কুল থেকে আনতে হয়েছে অনেক কষ্টে। কারণ রাস্তায় রাস্তায় মিছিল। এই মিছিলে যদি কখনো মারামারিতে বাচ্চাদের ক্ষতি হয় তখন দায় কে নেবে?

এদিকে গতকাল দুই দলের কর্মসূচিতে রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা ছিল খুবই কম। যারা ছিল তারা ভাড়া আদায় করেছে দ্বিগুণ। আবার অনেকে যানবাহন না পেয়ে হাঁটাপথে পা বাড়িয়েছে। অনেক স্থান যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে। ঢাকার একাধিক অধিবাসী জানিয়েছেন, দুই দলের কর্মসূচিতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। এমনিতে অনেক যানজট থাকে। তার ওপর কর্মসূচিতে অনেকেই তাদের দোকানপাট বন্ধ রেখেছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :