1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

ডিম ও মুরগি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৬৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক:ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম বৃদ্ধি করছে একটি মহল। তারা ‘প্রান্তিক খামারি’ বনাম ‘করপোরেট খামারি’র বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে দেশীয় খামারি ও উদ্যোক্তাদের অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে মুনাফা লুটে নিচ্ছে। তাই প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা এবং কম দামে সবার জন্য ডিম ও মুরগি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এ খাতের উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও খাত-সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ আহ্বান জানান।

বিপিআইসিসির সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়েও খামারিরা চেষ্টা করছেন উৎপাদন সচল রাখতে। দেশের মানুষের জন্য পুষ্টি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে। এ জন্য তাদের প্রশংসা পাওয়ার কথা ছিল অথচ খামারি ও উদ্যোক্তাদের ললাটে জুটেছে অপবাদ আর অপমান। মধ্যস্বত্বভোগীরা অন্যায্য মুনাফা করছে অথচ খড়গ নেমেছে উৎপাদকদের ওপর।

শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, এভাবে বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে না। খামারিরা লাভ করতে পারলে যারা সরে গেছে তারা আবারও ফিরে আসবে। উৎপাদন বাড়লে বাজারও স্থিতিশীল হবে।

পোল্ট্রি শিল্পের চলমান সংকট নিরসনের মাধ্যমে এ খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ডিম ও মুরগির খামারি উদ্যোক্তারা মিথ্যা কথা বলছেন। শত শত কোটি টাকা লুটে নিয়ে যাচ্ছেন। ডিম-মুরগির বাজারে সিন্ডিকেট এমন অপপ্রচার ছড়ানোর কারণে বিভ্রান্তি দিন দিন আরও ঘনীভূত হয়েছে। তা ছাড়া ‘প্রান্তিক খামারি’ বনাম ‘করপোরেট খামারি’র বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমেও দেশীয় খামারি ও উদ্যোক্তাদের অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। ডিম-মুরগি আমদানি করা হলে তা দেশেরই ক্ষতি করবে।

তিনি বলেন, এক দিন বয়সি ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার সাপ্তাহিক চাহিদা যেখানে ছিল প্রায় ১ কোটি ৭০ থেকে ৮০ লাখ, বর্তমানে তা ১ কোটি ৩০ লাখে নেমে এসেছে। লেয়ার মুরগির চাহিদা ১১ লাখ থেকে কমে হয়েছে সাড়ে ৯ লাখ।

খামারিরা অভিযোগ করে বলেন, ডলার সংকটের সুযোগ নিয়ে সিড ক্র্যাসিং ইন্ডাস্ট্রি সয়াবিন মিলের দাম অন্যায্যভাবে বাড়িয়ে চলেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার সহ-সভাপতি মো. তৌহিদ হোসেন, বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুধীর চৌধুরী, ইআরএফ সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :