1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী চলবে ড. ইউনূসের মামলা: প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৭৭ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মামলা আইনের গতিতে চলবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান মামলার ন্যায়বিচার আদালত করবে। কোন বৈদেশিক বিবৃতি বা বাহ্যিক কোন চাপ আদালত কে প্রভাবিত করবে না বলে বিশ্বাস করেন তিনি। এ সময় তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চান, যদি নিজের ওপর এত আত্মবিশ্বাস থাকতো, তাহলে মামলা না লড়ে বিদেশি সহায়তার ভিক্ষা চাইতেন না তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন।

আইন না মানলে তো মামলা হবেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন, হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ নেই। আমাকে আপনারা সেই ক্ষমতা দেননি।

পৃথিবীতে আরও নোবেল লরিয়েট আছেন যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন, এ সকল লরিয়েটদের মামলার বিষয়ে নিরবতা কেন? তাদের বিষয়ে কেউ কোন বিবৃতি দেয় না কেন?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থান অন্যান্য নোবেল লরিয়েটদের থেকে বেশি কি-না জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কয়েক বছর আগে শান্তিতে নোবেল জয়ী ফিলিপাইনের সাংবাদিক মারিয়া রেসার বিরুদ্ধে সে দেশে কর ফাঁকি মামলা হয়েছিল। তিনি ট্রায়াল ফেস করেছেন। তার জন্য কোন বিবৃতি নেই কেনো।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে দেওয়া বৈদেশিক বিবৃতিদাতাদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশে এসে মামলার নথি/দলিল-দস্তাবেজ দেখুন, দেখে আপনারাই বিবেচনা করুন। শ্রমিকদের করা মামলায় তার বিচার হচ্ছে। আপনারা মামলার দলিল/কাগজপত্র যাচাই করলে আপনারাও হয়তো নতুন কিছু খুঁজে পাবেন যা আমরাও হয়ত এখনো পাইনি।

ব্যাংকের এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম নিজ দেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করব, যা আজকে দৃশ্যমান। বিএনপির শাসনামলেও বিশ্বব্যাংক জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ বাতিল করেছিলো। কিন্তু তারা চ্যালেঞ্জ করেনি। কেননা তাদের সেই সৎ অবস্থান ছিলো না। কিন্তু আমাদের ছিলো, তাই আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১৫ তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে জোহানেসবার্গ যান। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মেলনে যোগদান করেন।

সম্মেলনে ব্রিকস অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর একাধিক সরকার প্রধানের সাথে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়াও ৯টি আফ্রিকান দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাথে একটি বিশেষ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। এই বৈঠকগুলোয় তিনি দেশগুলোকে বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ও সম্ভাবনার খাতগুলো চিহ্নিতকরণে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান একসাথে।

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার জোট ব্রিকসের ১৫ তম ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কোভিড-১৯ মহামারি এবং পরবর্তী বিশ্বব্যাপী বিধিনিষেধের পর এটিই প্রথম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন যা সশরীরে আয়োজিত হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ সম্মেলনে যোগ দেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন শেষে রোববার (২৭ আগস্ট) দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ৮টা ৩৯ মিনিটের দিকে তাকে বহন করা বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :