1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সুরা ইখলাসের পরিচয় ও অনেক ফজিলত

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩২৫ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক:পবিত্র কুরআনের ক্ষুদ্রতম একটি সুরা হলো ‘সুরা ইখলাস’। এটি পবিত্র কুরআনের ১১২তম সুরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর রুকু ১, আয়াত ৪। অন্যান্য সুরার তুলনায় গুরুত্ব, মহত্ত্ব ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি অনন্য।

সংক্ষিপ্ত পরিসরে আল্লাহর পরিচয় এত সুন্দরভাবে অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। হাদিসে সুরা ইখলাসের এত অধিক ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে যে, সুরা ফাতিহা ছাড়া অন্য কোনো সুরার ক্ষেত্রে যা বর্ণনা করা হয়নি। এই সুরায় আল্লাহর অস্তিত্ব ও সত্তার অনুপম ব্যাখ্যা রয়েছে। ইখলাস অর্থ গভীর অনুরাগ, একনিষ্ঠতা, নিরেট বিশ্বাস খাঁটি আনুগত্য। শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ বা এক আল্লাহর ওপর খাঁটি ও নিরেট বিশ্বাসী হওয়াকে ইখলাস বলা হয়।

সুরা ইখলাসকে পবিত্র কুরআনের এক-

তৃতীয়াংশের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। রাসুল (সা.) সাহাবিদের বললেন, ‘তোমরা কি এক রাতে এক-তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে পারো না?’ প্রস্তাবটি সাহাবিদের জন্য কঠিন মনে হলো। তাই তারা বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এই কাজ করতে পারে, আমাদের মধ্যে এমন সাধ্য কারও আছে?’ তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ (সুরা ইখলাস) কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’ (অর্থাৎ এই সুরা পড়লে এক-তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ার সমান নেকি পাওয়া যাবে)।’ (বুখারি : ৫০১৫)

যে ব্যক্তি অন্তর থেকে সুরা ইখলাসের প্রতি ভালোবাসা রাখবে সে আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসা লাভ করবে। হাদিসে এসেছে, হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একজন সাহাবিকে একটি যুদ্ধের সেনাপতি বানিয়ে পাঠালেন। তিনি সাহাবিদের নিয়ে জামাতে ইমামতি করতেন। নামাজে তিনি সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সুরা মেলানোর পর প্রতি রাকাতের শেষে সুরা ইখলাসও পাঠ করতেন। যুদ্ধ থেকে ফিরে সাহাবিরা রাসুল (সা.)-কে বিষয়টি জানালেন। রাসুল (সা.) তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করতে বললেন। তারা এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, সুরা ইখলাসে আল্লাহর মৌলিক গুণাবলি বর্ণিত হয়েছে। আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তার এ কথা শুনে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তাকে সুসংবাদ দাও যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে ভালোবাসেন।’ (বোখারি : ৬৮২৭)

এক হাদিসে এসেছে, প্রিয়নবী (সা.) এক সাহাবিকে সুরা ইখলাস তেলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেন ‘সে ওয়াজিব করে নিয়েছে’। সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সে কী ওয়াজিব করে নিয়েছে?নবীজি উত্তরে বললেন-‘জান্নাত ওয়াজিব করে নিয়েছে’ (মুসনাদে আহমাদ : ৭৬৬৯)। অন্য এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দশবার সুরা ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।

যে বিশবার পড়বে তার জন্য দুটি এবং ত্রিশবার পাঠকারীর জন্য জান্নাতে তিনটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।’ তখন হজরত ওমর (রা.) বললেন-ইয়া রাসুলাল্লাহ! তা হলে আমরা অনেক প্রাসাদ নির্মাণ করতে চাই! রাসুল (সা.) বললেন-‘আল্লাহ তায়ালা বেশিই দান করবেন এবং উত্তমরূপে দান করবেন’ (তাবরানি আওসাত : ২৮১; আল-জামিউস সগির : ৬৪৭২)। অর্থাৎ বেশি বেশি সুরা ইখলাস পাঠ করলে বান্দার জন্য জান্নাতের অফুরন্ত নেয়ামত লাভ সহজ হয়ে যাবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :