
শাহজাহান বিশ্বাস: মানিকগঞ্জের শিবালয়ের যমুনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ মাছ শিকার করায় পৃর্থক দু’টি অভিযানে ৭ জেলেকে আটক করায়েছ। এরমধ্যে ৪ জেলেকে আটক করেছে পাটুরিয়া নৗ-থানা পুলিশ এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তর ৩জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১৩দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সেই সাথে ২১ লাখ টাকা মুল্যের ৭০হাজার মিটার কারেন্টে জাল জব্দ করে পুরিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর ) পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে ৪জেলেকে আটক করে শিবালয় থানা পুলিশে সোর্পদ করেন। অভিযান পরিচালনা করেন পাটুরিয়া নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহাদৎ হোসেন।
আটকৃতরা হলেন, পাবনা জেলার আমিনপুর থানার দারাই গ্রামের মো. তাইজুল মন্ডলের পুত্র মো. সাদেক মন্ডল (৩০), মো.তারা গাজীর পুত্র মো. বিল্টু গাজী (২৫), মো. মমিন সরদারের পুত্র মো.মোস্তফা সরদার (২২), মো. মতিয়ার প্রমানিকের পুত্র মো.জলিল ফরমান অালী(২৩)।এদের সবার বাড়ি পাবনা জেলার আমিনপুর থানার দারাই গ্রামে। এদেরকে শিবালয় থানার হাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তিতের আইনী প্রক্রিয়া শেষে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলে পাটুরিয়া নৌ থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।
পাটুরিয়া নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ সনের৫(১) /৫(২) খ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।এফআইআর নং ১৫।
এর আগের দিন দ্বিতীয় অফিজান পরিচলনা করে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী।গত ১৭ অক্টোবর জেলার শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীতে অবৈধ মৎস্য আহরণবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরায় ৩ জেলেকে ১৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী।
পাটুরিয়া নৌ থানা পুলিশ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যবৃন্দরা সহযোগিতায় করেন।এ সময় মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে প্রায় ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ( যার আনুমানিক মূল্য ২১ লক্ষ টাকা ), ৩ জন অবৈধ মৎস্য আহরণকারীকে আটক, এবং পাঁচ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয় ।,
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শিবালয় উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনিষা রানী কর্মকার। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ জন অবৈধ মৎস্য আহরণকারীকে ১৩ দিনের জেল প্রদান করেন।জব্দকৃত অবৈধ জাল নদীর তীরে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ সবার উপস্থিতিতে দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামের বাতেন বেপারির পুত্র মো. আব্দুল্লাহ বেপারী(৪০) একই গ্রামের মো. ইসকান শেখের পুত্র মো. জানে আলম (৪২) এবং মো.আব্দুল আজিজের পুত্র মো.স্বপন (১৯)।
শি্বালয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী বলেন মা ইলিশ রক্ষা করুন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করুন। দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধ মৎস্য আহরণবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
Leave a Reply