
অনলাইন ডেস্ক: রমজান গুনাহ মাফের অনন্য সময়। এ মাসে কাকুতি-মিনতি করে আল্লাহর কাছ থেকে এমনভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করা চাই, যেন সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের পরই যা গুরুত্বপূর্ণ, তা হচ্ছে মা-বাবার খেদমত ও সন্তুষ্টি। তাদের খেদমত জান্নাতে আরোহণের সিঁড়ি। তাদের হৃদয়তৃপ্ত দোয়া সন্তানকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে জান্নাতে পৌঁছে দিতে পারে।
আরেকটি হাদিস নিয়মিত চর্চা করা যায়। নবীজি (সা.)-এর নাম উচ্চারিত হলে সংক্ষেপে হলেও দরুদ পড়া। কেবল ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বললেও দায়িত্ব আদায় হয়ে যাবে। তবে এতটুকুও না বলা অন্যায়।
হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলে আকরাম (সা.) বলেছেন, ‘সে ব্যক্তির নাক ধুলায় ধূসরিত হোক- যার কাছে আমার নাম উচ্চারিত হওয়ার পরও দরুদ পড়ে না। সে ব্যক্তির নাক ধুলায় ধূসরিত হোক- যার কাছে রমজান মাস এসে চলে যায় অথচ নিজের গুনাহ মাফ করিয়ে নিতে পারে না। সে ব্যক্তির নাক ধুলায় ধূসরিত হোক- যে তার পিতামাতা বা তাদের একজনকে বার্ধক্য অবস্থায় পেয়েছে কিন্তু তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারেনি।’ (তিরমিজি : ৩৫৪৫)
Leave a Reply