
নিজস্ব প্রতিবেদক:মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল খালেক।শিক্ষার্থীদের শিখনফল উন্নয়ন, পাঠদানে আধুনিক কৌশলের প্রয়োগ এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ) মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গকুল চন্দ্র দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার সাতটি উপজেলার শিক্ষকদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে একজনকে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে কার্যকর ভূমিকা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পেশাগত দক্ষতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ নির্বাচন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল খালেক বলেন, আমি দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় আছি। শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের যত্নসহকারে পাঠদান, যথাযথ শিখনপদ্ধতি অনুসরণ এবং শিশুদের সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করে আসছি। জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়া আমার কাছে শুধু একটি অর্জন নয়, এটি কাজের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে দায়িত্ব পালনে আমাকে উৎসাহিত করবে।
মানিকগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোকুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, শিক্ষক সমাজকে পাঠদানে উদ্বুদ্ধ করতে সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে এ ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা শিক্ষকদের উৎসাহিত করবে। এর অংশ হিসেবে শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল খালেক কে যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় শিবালয় উপজেলার তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল খালেককে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আব্দুল খালেকের এ অর্জনে স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বন্ধু-বান্ধব এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান। তারা তার এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছেন, শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে আব্দুল খালেকের স্বীকৃতি শিবালয় উপজেলার শিক্ষাঙ্গনের জন্যও গর্বের বিষয়। তার এ অর্জন শিক্ষক সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
শ্রেষ্ঠ গুণি শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত শিক্ষক তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আব্দুল খালেক বলেন, প্রতিটি মানুষই তার কাজের স্বীকৃতি আশা করে।এতে কাজের গতি বাড়ে। আমি আমার কাজের যে স্বীকৃতি পেয়েছি এটা আমার একার কৃতিত্ব নয়।টিম ওয়ার্ক কাজের সুফলই এ স্বীকৃতি। এ স্বীকৃতির জন্য আমার স্কুলের সকল শিক্ষকের অবদান।আমি উছিলা মাত্র।আমি আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এবং যারা আমাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করেছেন তাদের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ।
Leave a Reply