1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন

ভোক্তা অধিদফতরের প্রতিবেদন ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকার বেশি অযৌক্তিক

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ২৫০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ব্রয়লার মুরগির কেজি কোনোভাবেই ২০০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়, এটা অযৌক্তিক। পোল্ট্রি ফিডের মূল্যবৃদ্ধিসহ অন্যান্য সব ব্যয় বৃদ্ধির পরেও এক কেজি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন ব্যয় করপোরেট গ্রুপ পর্যায়ে ১৩৫-১৪০ টাকা এবং প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে ১৫০-১৬০ টাকা। সে ক্ষেত্রে বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির মূল্য প্রতি কেজি ২৫০-২৬০ টাকা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ভোক্তা পর্যায়ে বর্তমান উৎপাদন খরচ অনুযায়ী প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা হতে পারে। এর বেশি হওয়া সমীচীন নয়।

সোমবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করা হয়। মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে সম্প্রতি এ খাতের সব পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় করে অধিদফতর। সে মতবিনিময় সভার আলোকেই প্রতিবেদনটি তৈরি করে ভোক্তা অধিদফতর। গতকাল প্রতিবেদনটি বাণিজ্য সচিবের দফতরে জমা দেয় অধিদফতর।

সে দিনের মতবিনিময় সভায় পোল্ট্রি খাতের যেসব অসঙ্গতি রয়েছে সেগুলোও তুলে ধরা হয়। অধিদফতরের মহাপরিচালক বাজার তদারকিমূলক অভিযানে পোল্ট্রি বাজারে যেসব অসঙ্গতি পেয়েছেন তা উল্লেখ করে বলেন, বড় অসঙ্গতি হচ্ছে-দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও তা করা হয় না। এ ছাড়া পাইকারি পর্যায়ে ক্রয়ের পাকা রসিদ-ক্যাশ মেমো সংরক্ষণ করা হয় না, ক্রেতাকে বিক্রয়ের পাকা রসিদ-ক্যাশ মেমো প্রদান করা হয় না এবং দোকানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকা।

প্রতিবেদনে ভোক্তা অধিদফতর মুরগির বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেশ কিছু পরামর্শও দেয়। এর মধ্যে রয়েছে-পোল্ট্রি মুরগির যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে কোনো প্রকার অনিয়ম কিংবা মনোপলি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে অনুরোধ করা। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে পোল্ট্রি মুরগির যৌক্তিক মূল্যের বিষয়ে গবেষণামূলক প্রতিবেদন প্রদানের অনুরোধ করা। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে পোল্ট্রি মুরগির মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। পোল্ট্রি ফিড এবং মুরগির বাজারে অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী যেন অযৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে সমগ্র দেশে বাজার অস্থিতিশীল করতে না। পারে সে লক্ষ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি বৃদ্ধি করা। বিভিন্ন বাজার কমিটি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করা।

এ ক্ষেত্রে যেসব বাজারে মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হবে না, সে ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এফবিসিসিআই কর্তৃক ওই বাজার কমিটিকে বিলুপ্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অযৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে বাজার অস্থিতিশীল করার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আসন্ন রমজানে পোল্ট্রির বাজার স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে জাতীয় ভোজন অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী নিবিড়ভাবে বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা জোরদার করা।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :