1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন

বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২ জুন, ২০২৩
  • ২৪৭ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত যে বাজেট পেশ করেছেন তাতে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার বিষয়টিতে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট হতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ইলেকট্রনিক্স, আইসিটি খাত ও ভারী শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইজ অব ডুয়িং বিজনেসের উন্নতি ঘটানো হবে। স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ও প্রতিরক্ষণে আমদনি পর্যায়ের শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ করে ধার্য করা হবে।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে। দেশীয় শিল্প বিকাশের চলমান গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে বেশ কিছু খাতে মূসক অব্যাহতি সুবিধা প্রদান ও বহাল রাখা হয়েছে। যেমন রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর এবং এর উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় উপকরণ ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানি ও স্থানীয়ভাবে ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান মূসক (আগাম করসহ) ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন উৎপাদন পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর ও এর যন্ত্রাংশ ক্রয় বা আমদানিতে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা ২০২৫ সালের ৩০ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একইভাবে ব্লেন্ডার, জুসার, মিকচার, প্রেশার কুকারের মতো গৃহস্থালি সামগ্রীর ক্ষেত্রে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক ছাড় সুবিধাও ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

একইভাবে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদান এবং অব্যাহতির মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। হাতে তৈরি বিস্কুটের কর অব্যাহতি সীমা প্রতি কেজি ১৫০ টাকার বদলে ২০০ টাকা এবং কেকের (পার্টি কেক ছাড়া) অব্যাহতি সীমা প্রতি কেজি ২৫০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করা হয়েছে। দেশীয় সুইটস ও বেকারি শিল্পের বিকাশের জন্য মিষ্টান্ন ভান্ডার সেবা হতে কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এ খাতে বলবৎ ১৫ শতাংশ মূসক হার কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। কৃত্রিম আঁশে তৈরি ফেব্রিক্স ও নষ্ট টুকরায় উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ডেইরি খাতের উন্নয়নে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত কোকোনাট ও কোপরা বর্জ্যরে উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার বাজেট বক্তৃতায় স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পকে সহায়তায় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন। এ শিল্পের উন্নয়নে নতুন এইচএস কোডে সংশ্লিষ্ট কিছু যন্ত্রাংশ সংযোজন এবং কিছু পণ্যের বর্ণনা সংশোধানের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপনটি সংশোধন করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয়ভাবে সুইচ ও সকেট উৎপাদনে অনেক শিল্প গড়ে উঠেছে, কিন্তু দেশীয় এসব পণ্য নিম্নমানের আমদানি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। এই শিল্পকে সহায়তা করার জন্য এ শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দিতে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রী প্রস্তুতকারী শিল্পকেও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শিল্প সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে। শিল্পের কাঁচামাল টেরিপ্যাথিক্যাল অ্যাসিড এথিলিনসহ আরও কিছু উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান মূসক হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দেশে তৈরি এলইডি বাল্ব ও সুইচ-সকেট উৎপাদকদের সুবিধা দিতে এবং উৎপাদনে উৎসাহী করতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বৈদ্যুতিক এসব পণ্য আমদানি করতে শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক ২০-২৫ শতাংশ রয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন অর্থবছরের বাজেটে শুল্ক ও সম্পূরক শুল্ক হার ১০-১৫ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এলইডি বাল্ব এবং সুইচ এবং সকেটের দাম কমতে পারে এবং এ খাতের বিকাশ ঘটতে পারে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :