1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

পিটার হাস বৈঠক করতে চান ৩ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২২২ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমের এই দেশটি চায় নির্বাচনের আগে সবগুলো রাজনৈতিকদল শর্তহীন সংলাপে অংশ গ্রহণ করুক। বাংলাদেশের একক কোনো রাজনৈতিক দলকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না। নির্বাচন ইস্যুতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কেউ হস্তক্ষেপ করলে ভিসানীতি প্রয়োগ করা হবে।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে  বিকেলে ঢাকায় অবস্থিত দেশটির দূতাবাস থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। যা এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানান হয়।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র স্টিফেন আইবেলি এক বার্তায় জানান, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য বাংলাদেশের বড় ৩টি রাজনৈতিক দলের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বৈঠক করার অনুমতি চেয়েছেন।

স্টিফেন আইবেলি ওই বার্তায় আরো বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সকলপক্ষকে নির্বাচন ইস্যূতে সংযম প্রদর্শন এবং সহিংসতা থেকে দূরে থাকতে আহ্বান করা হচ্ছে। বাংলাদেশের একক কোনো রাজনৈতিক দলকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না। সকল রাজনৈতিকদলকে শর্তহীন সংলাপে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন ইস্যূতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কেউ ব্যাঘাত ঘটালে যুক্তরাষ্ট্র ভিসানীতি প্রয়োগ করবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ওপর গত ২৪ মে ভিসানীতি প্রকাশের পর গত ২২ সেপ্টেম্বর ভিসানীতি প্রয়োগ শুরুর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ভিসানীতি প্রয়োগ শুরুর ঘোষণায় বাংলাদেশের বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কথা বলা হয়। এর দুইদিন পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ওই তালিকায় গণমাধ্যমকে যুক্ত করার ঘোষণা দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। যার অর্থ হচ্ছে গণতান্ত্রিক পক্রিয়ায় যারাই বাধা দিবে তাদের বিরুদ্ধেই ভিসা নীতি প্রয়োগ হবে।

মূলত শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানকে বাধাগ্রস্ত করতে ৪ ধরনের কাজে যারা জড়িত থাকবেন তাদের ক্ষেত্রেই ভিসানীতি কার্যকর করা হবে। এই ৪ ধরনের কাজ হচ্ছে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারি বা বেসরকারি দল যারাই বাধা দিবে তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি কার্যকর হবে এবং তারা ভিসা পাবেন না। মূলত, ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোট কারচুপি, বাকস্বাধীনতাকে অগ্রাহ্য করা বা সমাবেশ করার অধিকারকে অগ্রাহ্য এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত করতে সহিংসতার ব্যবহার করা।

এদিকে, সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস  জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের নেতৃত্বে দলটির এক প্রতিনিধিদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির বনানীর চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মূলত দেশটির মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ডোনাল্ড লু লিখিত একটা চিঠি নিয়ে এসেছেন। তিনি চিঠিটা আমাদের পার্টির চেয়ারম্যানকে হস্তান্তর করেন। পিটার হাস জানিয়েছেন যে একই চিঠি বাংলাদেশের ৩টি রাজনৈতিকদলকে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি এই তিনটি দলকে একই চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠির বিষয় সংক্ষেপে বলা যায় যে বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়। রাষ্ট্রদূত আমাদের প্রায় সঙ্গে ৪০ মিনিট বৈঠক করেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. মাহফুজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পক্রিয়ায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যা তারা আগেও বলেছে। এবার তারা নির্বাচনের আগে শর্তহীন সংলাপও চেয়েছে। এসব ঘটনায় সরকার চাপে রয়েছে এবং সামনের দিনে এই চাপ আরো বাড়বে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :