1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন শিবালয়ের কৃতি সন্তান আব্দুল খালেক শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ

তিস্তায় আরও ২ খাল খনন, ঢাকায় উদ্বেগ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০২৩
  • ২৩২ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার তিস্তা নদী থেকে আরও পানি প্রত্যাহারের জন্য গজলডোবার বাম পাশে আরও দুটি খাল খনন করছে। নিম্ন অববাহিকার দেশ হিসেবে যা বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক। এ উদ্বেগ নয়াদিল্লির কাছে প্রকাশ করবে ঢাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে ঢাকা নয়াদিল্লির কাছে আরও উদারতার প্রত্যাশা করে। এদিকে পানি ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। উভয় পক্ষ বছরের মাঝামাঝি সময়ের আগেই বৈঠকটি করতে চাচ্ছে।

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে ঢাকার কূটনীতিকরা এ প্রতিবেদককে বলেন, তিস্তা নদী থেকে পানি প্রত্যাহারের জন্য গজলডোবার ডান পাশে আগে থেকেই খাল খনন করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। এ নদী থেকে আরও পানি প্রত্যাহারের জন্য এবার গজলডোবার বাম পাশে দুটি খাল খননের পরিকল্পনা করেছে তারা। খাল দুটির একটি ৩২ এবং অন্যটি ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ।

এ দুটি খাল খননের জন্য তারা ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছে। এখান থেকে প্রত্যাহার করা পানি দিয়ে তারা ৩১ হাজার একর জমিতে সেচ দেবে। বিষয়টি ঢাকার জন্য উদ্বেগজনক। কেননা বাংলাদেশ তিস্তা থেকে এমনিতেই পানি পায় না, তার ওপর পশ্চিমবঙ্গ যদি আরও পানি প্রত্যাহারের জন্য দুটি খাল খনন করে, তবে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ আরও বেকায়দায় পড়বে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার আগে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। অথচ নয়াদিল্লি ঢাকাকে কিছুই জানায়নি। ঢাকার কূটনীতিকরা বিষয়টি গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছেন।

ঢাকার কূটনীতিকরা আরও বলছেন, বিষয়টি নিয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশ কিছু জানতে চাইবে কি না সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। এসব ইস্যুতে সরকারের কিছু কৌশলের বিষয় আছে। বিষয়টি কীভাবে জানতে চাওয়া হবে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি একাধিক ফোরাম বা কূটনৈতিক চ্যানেলে জানতে চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বাংলাদেশে এ ইস্যুতে তার উদ্বেগ ভারতকে কোনো না কোনো চ্যানেলে প্রকাশ করবে। সামনে দুই পক্ষের মধ্যে যে জেআরসি (যৌথ নদী কমিশন) বৈঠক অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে ঢাকার পক্ষ থেকে অবশ্যই উদ্বেগ প্রকাশ করা হবে।

যৌথ নদী কমিশনের বিশেষজ্ঞ এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান সময়ের বলেন, আমাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন যে চরম ইতিবাচক পর্যায়ে আছে, তাতে ভারত এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেওয়ার আগে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করে নিতে পারত, যা বন্ধুত্বসুলভ প্রতিবেশীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এখান থেকে ভারত কী পরিমাণ পানি প্রত্যাহার করবে তা আমাদের জানালে দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতো। এ ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়ার আগে নিম্ন অববাহিকার দেশ হিসেবে বাংলাদেশের কাছে ভারত বিষয়টি শেয়ার করে আরও উদারতা প্রকাশ করতে পারত।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. তৌহিদ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, ভারতের অনীহার কারণেই এক যুগ ধরে তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না। এবার তারা আরও পানি প্রত্যাহারের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে তা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক। কেননা উত্তরবঙ্গের বিশাল এক জনগোষ্ঠী তিস্তার পানি প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল। তাই তাদের দুর্দশা লাঘবে যা প্রয়োজন, বাংলাদেশকে তা করতে হবে। ভারতের যদি এতে সমস্যা থাকে, তবে ভারতকে বাস্তবসম্মত বিকল্প সমাধান দিতে হবে। বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশ সেটা খুশিমনে মেনে নেবে।

ঢাকার কূটনীতিকরা আরও বলছেন, এরই মধ্যে পানি ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক নয়াল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি একটি রুটিন ভিজিট। ফারাক্কার পানি মেজারমেন্ট ইস্যুতে প্রতি বছরই এ বৈঠক হয়। বৈঠকটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

পানি ইস্যুতে সামনে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে। তবে এ ইস্যুতে সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। গত ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লি এক বার্তায় ঢাকায় পানি ইস্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য তথ্য জানায়।

ফিরতি বার্তায় ঢাকার পক্ষ থেকে নয়াদিল্লিকে সম্মতি প্রকাশ করে জানানো হয়, সুবিধাজনক সময়ে এ বৈঠকটি করা যায়। এখন নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে একটি দিনক্ষণ ঠিক করে ঢাকাকে জানানো হবে। চলতি বছরের মাঝামাঝির আগেই বৈঠকটি অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বৈঠক অনুষ্ঠানের আগে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিতে হবে।

বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক (ফরেন অফিস কনসালটেশন-এফওসি) গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের জানান, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিসহ দুই পক্ষের সম্পর্কে যেসব অনিষ্পন্ন ইস্যু রয়েছে তা দ্রুত নিষ্পত্তিতে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :