1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন

ডিম উৎপাদনকারীদের জন্য সুখবর

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
  • ২৭৭ বার পড়েছেন

অনলানাইন ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ঘরে-বাইরে আলোচিত বিষয় ছিল ডিম। এর অন্যতম কারণ, হঠাৎ করে ডিমের দাম বৃদ্ধি পাওয়া। এই ডিম নিয়ে কারসাজি হয়েছে, আবার সিন্ডিকেটও হয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা নিজেদের পকেট ভরেছে।

আশার কথা, গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা এবং কর্মসূচি তৈরি করেছে, যা ইতোমধ্যে সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ বিশেষায়িত ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য দেশের আপামর জনসাধারণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা। এর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, দারিদ্র্য কমানো ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৩০ হাজার ৯১১ কোটি টাকা কৃষিঋণ র্নিধারণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, এই কর্মসূচিতে মৎস্য থেকে শুরু করে প্রাণিসম্পদ খাত, সেচ যন্ত্রপাতি, শস্য, টিস্যু কালচার, পাট চাষ, অয়েল পাম, আম, লিচু, নার্সারি স্থাপন, ড্রাগন ফল, চা চাষ ছাড়াও বিশেষ ও অগ্রাধিকার খাতের জন্য এই ঋণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ডিমের দামের আকালে ডিম উৎপাদনকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে এই কর্মসূচি। ডিমের সঙ্গে মুরগি পালনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মুরগি খামারিদের জন্যও নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। ঋণ কর্মসূচিতে এক দিন বয়সের লেয়ার বাচ্চা কিনে পালন করে ডিম উৎপাদন করা যাবে। এর জন্য ঋণ দেওয়া হবে। এক হাজার লেয়ার মুরগি পালনের জন্য সর্বোচ্চ ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে থাকছে প্রয়োজনীয় জমি, ঘর তৈরি বাবদ, বাচ্চা কেনা, খাদ্য কেনা, খাদ্যের পাত্র কেনা, টিকা ওষুধ ও শ্রমিক বাবদ খরচ। তবে এই পরিমাণ অর্থ লেয়ার মুরগি পালনের ৬ মাসের জন্য প্রযোজ্য হবে।

কারা এই ঋণ পাবে? নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, সুবিধাভোগী ঋণগ্রহীতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নারী ও প্রান্তিক খামারিরা অগ্রাধিকার পাবেন। একইভাবে এক হাজার তিতির পালন, সোনালি মুরগি ও টার্কি পালনের জন্য এই শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানা গেছে। তিতির পালনের জন্য ১২ লাখ ৯১ হাজার টাকা, সোনালি মুরগি পালনের জন্য ১০ লাখ ৫০ হাজার ও টার্কি পালনের জন্য ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হবে।

এদিকে মুরগির পাশাপাশি হাঁস পালনের জন্য ঋণ দেওয়া হবে। যার পরিমাণ হচ্ছে ১৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা। হাঁস পালনে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে নিজস্ব জমি ও শেড থাকতে হবে বলে নীতিমালায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাঁসের ক্ষেত্রে এক হাজার হাঁস পালনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :