1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

জামাতে নামাজ আদায়ে যত ফজিলত

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩
  • ২৩৩ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: মুমিনের জীবনে ঈমানের পর আবশ্যকীয় বিধান হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পুরুষদের জন্য পদ্ধতিগত বিধান হলো জামাতে আদায় করা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘তোমরা রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো তথা জামাতে নামাজ আদায় করো’ (সুরা বাকারা : ৪৩)। হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘নিঃসন্দেহে রাসুল (সা.) আমাদের হেদায়েতের তরিকা শিখিয়েছেন। হেদায়েতের এই তরিকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ তরিকা হলো-যেখানে আজান হয় সেখানে নামাজ আদায় করা’ (মুসলিম : ১৪৮৫)। ইসলাম যেমনিভাবে জামাতে নামাজ আদায়ের খুব গুরুত্ব দিয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে আনন্দ-উৎসাহের জন্য তার অনেক উপকারও বর্ণনা করেছে।

অতীতের গুনাহ মাফ : জামাতে নামাজ আদায় করলে পেছনের সব গুনাহ মাফ হওয়ার সুযোগ থাকে। রাসুল (সা.) বলেন, যখন ইমাম ‘গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ-দোয়াল্লিন’ বলবেন তখন তোমরা আমিন বলবে। কারণ যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সঙ্গে মিলে যাবে তার পেছনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে’ (বুখারি : ৭৯৬)। আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের জন্য সুন্দরভাবে ওজু করবে, অতঃপর ফরজ নামাজের জন্য হেঁটে হেঁটে মসজিদে গিয়ে বা জামাতের সঙ্গে আদায় করবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেবেন।’ (মুসলিম : ২৩২)

অধিক সওয়াব : একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ আদায় বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাতে নামাজ আদায়ে ২৭ গুণ বেশি সওয়াব’ (মুসলিম : ১৪৭৭)। তাই যথাসম্ভব জামাতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করা দরকার।

চেষ্টা করলেও সওয়াব : জামাতে নামাজ আদায়ের ইচ্ছায় ঘর থেকে বের হয়ে জামাত না পেলেও জামাতের পূর্ণ সওয়াব পাওয়া যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওজু করে মসজিদে এসে দেখে, লোকজন নামাজ আদায় করে ফেলেছে, তবে আল্লাহ তায়ালা তাকে জামাতে উপস্থিত হয়ে নামাজ আদায়কারীর সমপরিমাণ সওয়াব দেবেন এবং তাদের সওয়াব থেকে সামান্য পরিমাণ হ্রাস করা হবে না। (আবু দাউদ : ৫৬৪)

দুই দায় থেকে মুক্তি : জামাতে নামাজ আদায় করলে দুই দায় অর্থাৎ জাহান্নাম ও মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ৪০ দিন তাকবিরে তাহরিমার সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে দুটি পুরস্কার দান করবেন। ১. জাহান্নাম থেকে মুক্তি। ২. মুনাফিকের তালিকা থেকে মুক্তি।’ (তিরমিজি : ২৪১)

ফেরেশতাদের দোয়া : আসর এবং ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করলে ফেরেশতাদের দোয়া পাওয়া যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘রাত-দিনের পালাবদলে তোমাদের মাঝে ফেরেশতাদেরও পালাবদল হয়। তারা আসর ও ফজর নামাজে একত্রিত হয়। এরপর যেসব ফেরেশতা তোমাদের মাঝে রাতে অবস্থান করেছিলেন তারা ওপরে উঠে যায়। তখন মহান রব তাদের জিজ্ঞেস করেন অথচ তিনি তাদের থেকে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদের কীভাবে ছেড়ে এসেছ?’ তারা বলেন, ‘তাদের নামাজরত অবস্থায় পেয়েছি এবং নামাজরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি। অতএব আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন।’ (ইবনে হিব্বান : ২০৬১)

রাতভর ইবাদতের সওয়াব : এশার নামাজ জামাতে আদায় করলে অর্ধরাত নামাজ আদায়ের সওয়াব পাওয়া যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এশার নামাজ জামাতে আদায় করল সে যেন অর্ধরাত নফল নামাজ আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করল সে যেন পুরো রাতই নফল আদায় করল।’ (মুসলিম : ৬৬৫)

আল্লাহর হেফাজতে থাকা : জামাতে নামাজ আদায় করলে সারা দিন আল্লাহর হেফাজতে থাকা যায়। হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে, সে আল্লাহর হেফাজতে থাকে। আল্লাহর হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে যে কষ্ট দেবে, আল্লাহ তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।’ (মুসলিম : ৬৫৭)

নামাজের পূর্ণতা : জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে নামাজ পূর্ণতা পায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘ইমাম হলো জামানতদার আর মুয়াজ্জিন হলো আমানতদার। তাই হে আল্লাহ! আপনি ইমামগণকে সঠিকপথে রাখুন আর মুয়াজ্জিনদেরকে ক্ষমা করুন’ (আবু দাউদ : ৫১৮)। হাদিসের ব্যাখ্যায় মুহাদ্দিসগণ বলেন, ‘ইমাম জামানতদার’ এ কথার অর্থ হলো, ইমাম সব উপস্থিত মুসল্লির নামাজ পূর্ণতার দায়িত্বশীল।

শয়তানের ক্ষতি থেকে মুক্তি : জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজতে থাকা যায়। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘কোনো গ্রাম বা মহল্লায় যদি তিনজন ব্যক্তি থাকে এবং সেখানে জামাতে নামাজ আদায় করা না হয়, তবে শয়তান তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। সুতরাং তোমরা দলবদ্ধ হয়ে থাকো। কারণ বাঘ দল থেকে দূরে অবস্থানকারী ভেড়ার ওপর আক্রমণ করে তাকে খেয়ে ফেলে।’ (আবু দাউদ : ৫৪৭)

আল্লাহর সন্তুষ্টি : জামাতে নামাজ আদায় করার মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে খুশি করা যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা জামাতে নামাজ পড়া দেখে আনন্দবোধ করেন’ (সহিহুল জামে : ১৮২০)। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জামাতে নামাজ আদায়ের তওফিক দান করুন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :