1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন

এবার স্বাস্তির ঈদ যাত্রা, ভোগান্তি কম

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩
  • ২৪০ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: কেউ বলে ভোগান্তি কেউ বলে আনন্দের, তবে যাত্রা যেমনই হোক বাড়ি ফিরতে হবে। কারণ ঈদ বলে কথা। প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির অপেক্ষা যেন শেষ হয় না। তাই যেকোনো উপায়ে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। তবে এই আনন্দের সঙ্গে রয়েছে নানা ঝামেলাও। সড়ক ও নৌপথে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। মহাসড়কে দুয়েকটি স্থান বাদে বাকি স্থানে এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল। কোথাও কোনো যানজট ও ভোগান্তির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ গ্রামের বাড়ি যাবে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরসহ আশপাশের অঞ্চল থেকে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবে। এ ছাড়াও এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরও প্রায় ৪ কোটি মানুষ ঈদে যাতায়াত করতে পারে। এতে ২২ জুন থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত ঈদবাজার এবং গ্রামের বাড়ি যাতায়াতসহ নানা কারণে দেশের বিভিন্ন শ্রেণির পরিববহনে বাড়তি প্রায় ৮০ কোটি ট্রিপে যাত্রীরা যাতায়াত হতে পারে। ২২ জুন থেকে ঈদযাত্রা শুরু হলেও প্রধানত ২৬ জুন বেতন-বোনাস পাওয়ার পর থেকে আজ ২৭ জুনের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ মানুষ রাজধানী ছাড়বে বলে পর্যবেক্ষকদের একটি আনুমানিক পরিসংখ্যান রয়েছে। কিন্তু গণপরিবহনে সড়কপথে ৮ থেকে ১০ লাখ, নৌপথে ৮ থেকে ১০ লাখ, রেলপথে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াতের সক্ষমতা আছে। এ ছাড়া মোটরসাইকেলে ঈদযাত্রার সুযোগ দিলে বিগত ঈদুল ফিতরের মতো এবারও রাজধানীর ৮ থেকে ১০ লাখ বাইকার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে পারে। এতে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ভয়াবহভাবে বেড়ে যাবে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

সড়ক পথ : সোমবার রাজধানীর অন্যতম বাসটার্মিনাল গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের ভিড় অনেক বেড়েছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অফিস ছুটি হলে রাতে ভিড় আরও বাড়বে যা চলবে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত। হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মো. রুবেল  বলেন, সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গাবতলী থেকে ১৫টি গাড়ি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছেড়ে গেছে। রাতে আরও ১০ থেকে ১২টি গাড়ি ছেড়ে যাবে। এ মুহূর্তে কাউন্টারে এসে টিকেট পাওয়া কঠিন। যারা অনলাইনে আগে কেটেছিলেন মূলত তারাই এখন যাচ্ছেন। তবে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী ট্রিপ বাড়ানো হতে পারে।

ভাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঈদের সময় বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হয়। অন্যসময় কিছুটা কম নেওয়া হয়। শাকুরা পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার রাজু বলেন, এ মুহূর্তে কোনো গাড়ির টিকেট নেই। যাত্রীদের অভিযোগ, সময়মতো গাড়ি আসে না, অনেক বিলম্ব করে। কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে, সড়কে যানজটের কারণে ঠিক সময়ে গাড়ি পৌঁছাতে পারছে না। অন্যদিকে টার্মিনালের সামনে থেকে পাটুরিয়া ঘাটে লোকাল বাস সেলফি পরিবহনে করে তিনশ টাকা ভাড়া দিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যাচ্ছেন অনেকেই। মহাখালী বাসটার্মিনালে দেখা যায়, বাস কাউন্টারে অসংখ্য যাত্রী বসে আছেন। কেউ আবার টিকেট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার কাছে টিকেটের জন্য অনুরোধ করছেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামের বাড়ি বগুড়া যাচ্ছেন রাশেদুল ইসলাম (৩৮)।

তিনি  বলেন, কাউন্টারে অনেক সময় ধরে বসে আছি, তারা বলছে অনলাইনে আগেই সব টিকেট শেষ হয়ে গেছে। কোনো টিকেট নেই। তবে বেশি দাম দিলে আবার টিকেট মিলছে। ঈদযাত্রায় বাড়ি ফেরার যে দুর্ভোগ এটি থেকে রেহাই মিলছে না।

টিকেট কাউন্টারে বসে থাকা মনিরুল ইসলাম বলেন, অনেক আগেই অনলাইনে টিকেট কেটে রাখায় কাউন্টারে এসে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।

মহাখালী বাস টার্মিনালের ন্যশন্যাল ট্রাভেলসের কর্মকর্তা আবু রায়হান (৩৮) বলেন, ঈদ উপলক্ষে টার্মিনালে যাত্রীদের বাড়তি চাপ রয়েছে, সবচেয়ে বেশি চাপ ২৬ ও ২৭ তারিখের। তবে আগে থেকেই আমাদের সব টিকেট বিক্রি শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আর কোনো টিকেট বিক্রি করছি না।

এনা ট্রাভেলসের কর্মকর্তা অর্জুন (৪০) বলেন, অনলাইনে আমাদের সব টিকেট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে আর টিকেটি বিক্রি করেতে পারছি না। যাত্রী যদি আরও বাড়ে নতুন করে শিডিউল দিয়ে গাড়ি ছাড়ার পরিকল্পনা করব।

একই চিত্র দেখা গেছে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালেও।

নৌপথ : সড়ক ও রেলপথের পাশাপাশি নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। সোমবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। সকালে যাত্রী কম থাকলেও বিকাল থেকে ভিড় বাড়তে থাকে। মূলত এ চাপ সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয়। লঞ্চের ডেক থেকে শুরু করে সিঙ্গেল ও ডাবল রুমের কেবিন কোনোটাই ফাঁকা নেই। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন যাত্রীরা। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে সদরঘাটে আগের মতো ভিড় নেই। আগের চেয়ে যাত্রী কম, কিন্তু খরচ বেশি হচ্ছে। মালিকরা লোকসানের মধ্যে আছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিওটিএ) সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ে ৩৩টি লঞ্চ সদরঘাট ছেড়ে গেছে। এর আগের দিন রোববার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে ৮১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। তবে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও পর্যাপ্তসংখ্যক লঞ্চ যাত্রার জন্য তৈরি হয়েছে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজার থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট। এ সময়ে যাত্রীদের কেউ হেঁটে কেউ বা রিকশায় কিংবা গাড়িতে করে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছান। যাত্রী বেশি থাকায় অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অনেক লঞ্চ ঘাট ছেড়ে দিচ্ছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী শামীম হোসেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ভোলার চরফ্যাশনে এমভি টিপু-১৪-এ লঞ্চে করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আজই অফিস থেকে ছুটি পেয়েছি। তাই মা-বাবা আর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করতে বাড়ি যাচ্ছি।

তিনি বলেন, লঞ্চের কেবিন ফাঁকা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ডেকে যাচ্ছি কিন্তু অন্য সময়ের চেয়ে জনপ্রতি ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে।

এমভি রয়েল ক্রুজ লঞ্চে করে বরগুনার বেতাগী যাচ্ছেন শিফা আকতার। তিনি বলেন, যাত্রী বেশি থাকায় সময়মতো লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে। তবে টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। আগে আমরা ডেকে গেলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় যেতাম। এখন সেখানে ৬০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-হুলারহাট-ভান্ডারিয়া রুটে এমভি যুবরাজ-৭-এর লঞ্চের যাত্রী ছগির তালুকদার অভিযোগ করেন সিঙ্গেল রুমের স্টাফ কেবিন খালি আছে। কিন্তু ভাড়া চাচ্ছে ২৫০০ টাকা। অথচ এ রুমের ভাড়া ১৩০০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।

রেলপথ : বাস টার্মিনালের মতো রেলস্টেশনেও ঘরমুখো যাত্রীদের বাড়তি চাপ দেখা যায়। সোমবার দুপুরে বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীরা ট্রেনে উঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। দিনাজপুরে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাচ্ছেন সোহাগ হোসেন (২৮) ।

তিনি  বলেন, অনলাইনে টিকেট কাটায় তেমন সমস্যা হয়নি। কিন্তু ট্রেনে কোনো সিট না থাকায় দাঁড়িয়ে যেতে হচ্ছে। ঈদুল ফিতরের পর এবার কুরবানির ঈদেও রেলের শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গত ১৪ থেকে ১৮ জুন অগ্রিম টিকেট এবং ২২ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ফিরতি টিকেট বিক্রি করে রেল কর্তৃপক্ষ। তাই এবারের ঈদে রেলপথে তেমন কোনো ভিড় দেখা যায়নি। এবারের ঈদে অনলাইনের মাধ্যমে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে টিকেট পেয়েছেন বলে দাবি করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো এবারের ঈদেও শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় যাত্রীরা স্বস্তিতে টিকেট কাটতে পেরেছেন। ভোগান্তির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে টিকেট কালোবাজারিও বন্ধ করা গেছে।

অন্যদিকে ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত মহাসড়কেও কোনো ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিভিন্ন মহাসড়কের চিত্র তুলে ধরা হলো-

কুমিল্লা : পবিত্র ঈদুল ফিতরের মতো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশসহ অন্যান্য সড়ক দিয়ে ঈদুল আজহায়ও মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গেল কয়েক দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও কোথাও যানজট নেই। মহাসড়কের চান্দিনা-বাগুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কিছুটা যানজট থাকলেও বাকি অংশে গাড়ি চলছে স্বাভাবিক গতিতেই।

গাজীপুর : ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা চলছে বিআরটিয়ের কাজ। অর্ধযুগ ধরে চলছে প্রায় ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের এ কাজ। এ প্রকল্পের কাজের শুরুতেই টঙ্গী থেকে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বর্ষা মৌসুম ও দুই ঈদ উদযাপনের সময় তীব্র যানজটের ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো যাত্রীরা। যদিও ভোগান্তি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে, তারপরও যানজট থেকে সহসা মুক্তি মিলছে না এ সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোর। তাই এবারও ভোগান্তির কারণ হবে বিআরটি।

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) : উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষ প্রতি বছরই ঈদে যানজটের পরে চরম দুর্ভোগের শিকার হয় চন্দ্রা এলাকাজুড়ে। এবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর  পূর্বপাড় পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজে ১৩ কিলোমিটার রাস্তায় বিরামহীনভাবে নির্মাণকাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঢাকা টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় চার লেনসহ দুই পাশে ছোট যানবাহন চলাচলের জন্য আরও দুটি সার্ভিস লেন হয়েছে। এতে মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানজট প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

সিরাজগঞ্জ : ঈদযাত্রায় সোমবার ভোর থেকেই ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী বিভিন্ন জেলার ঘরমুখী মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। এতে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও স্বাভাবিক রয়েছে সিরাজগঞ্জের যানজট আতঙ্কে থাকা ৪৫ কিলোমিটার মহাসড়ক। কোথাও কোনো ধীরগতি বা যানজট নেই। সোমবার বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কের কড্ডার মোড়, নলকা সেতু ও উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হাঁটিকুমরুল গোল-চত্বর ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ থাকলেও যানজটের ভোগান্তি ছাড়াই অনেকটা স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরছে উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষরা।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : রূপগঞ্জের মহাসড়কের ভুলতা, বরপা, নতুন বাজার, বরাব, বিশ্বরোড, রূপসী, তারাব, কাঞ্চন, কালাদী- এসব স্থানে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে। যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ফ্লাইওভার ব্যবহার না করা, ভুলতা এলাকায় অবৈধ স্ট্যান্ড, রাস্তার মাঝে ভ্রাম্যমাণ হকার, ট্রাক থামিয়ে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি, কাঞ্চন ব্রিজের টোল আদায়ে ধীরগতিকে মনে করা হচ্ছে। রোববার সকাল থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার ও গত দুই সপ্তাহ ধরে এশিয়ান বাইপাস সড়কে ১০-১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট একনাগাড়ে লেগেই থাকছে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশকে তেমন ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় না। সুত্র: সময়ের আলো

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :