
অনলাইন ডেস্ক: করণীয়
ইতিকাফ যেন যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় সে জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি-
১. বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা।
২. তাসবিহ-তাহলিল ও জিকির-আজকার করা।
৩. বেশি বেশি দরুদ শরিফ ও সকাল-সন্ধ্যায় মাসনুন দোয়াগুলো পড়া।
৪. জীবনের সব গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং নিজের যাবতীয় নেক উদ্দেশ্যগুলো পূরণের, উম্মতের হেদায়েতের এবং সব ধরনের ফেতনা থেকে হেফাজতের জন্য দোয়া করা।
৫. কুরআনের তাফসির অধ্যয়ন ও হাদিসের জ্ঞানচর্চা করা।
৬. বেশি করে নফল নামাজ পড়া। বিশেষ করে তাহিয়্যাতুল ওজু, তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত, আওয়াবিন, সালাতুল হাজত ও সালাতুল তাসবিহ প্রভৃতি নিয়মিত আদায় করা।
৭. দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা ও মানুষকে শেখানো।
৮. লাইলাতুল কদরের ফজিলত লাভের নিমিত্তে বিজোড় রাতগুলোয় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সব ধরনের নফল আমল করার চেষ্টা করা। ৯. মসজিদের পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা।
বর্জনীয়
একইভাবে কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে-
১. গিবত-পরনিন্দা বা অন্যের দোষ চর্চা না করা। অন্যের সমালোচনা না করা।
২. চোগলখোরি না করা। অর্থাৎ একজনের কথা অন্যজনের কানে না লাগানো।
৩. মিথ্যা কথা না বলা।
৪. ঝগড়াঝাঁটি না করা।
৫. কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট না দেওয়া। অন্যের কষ্টের কারণ না হওয়া।
৬. কাউকে লাঞ্ছিত-অপমানিত না করা।
৭. অহংকার না করা।
৮. কারও প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ না করা। এসব কাজ পরিপূর্ণভাবে পরিহার করা।
৯. নিরর্থক ও অপ্রয়োজনীয় কথা না বলা।
১০. দুনিয়াবি কোনো কথা না বলা।
১১. একবারে চুপচাপ বসে না থেকে কুরআন তেলাওয়াত বা জিকির-আজকার করা।
সতর্কতা
১. বিনা প্রয়োজনে মসজিদ থেকে (নারীরা ইতিকাফের নির্ধারিত স্থান থেকে) বের হলে।
২. ইসলাম ত্যাগ করলে।
৩. অজ্ঞান, পাগল বা মাতাল হলে।
৪. নারীদের নিয়মিত ঋতুস্রাব দেখা দিলে।
৫. সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে বা গর্ভপাত হলে।
৬. স্ত্রী সহবাস করলে।
৭. বীর্যপাত হলে কিন্তু স্বপ্নদোষ হলে নষ্ট হবে না।
৮. ইতিকাফকারীকে জোরপূর্বক মসজিদ বা ইতিকাফের স্থান থেকে বের করে দিলে। আল্লাহ আমাদের ইতিকাফ চলাকালে ইতিকাফ-সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ ও মাসআলা-মাসাইলের প্রতি মনোযোগী থাকার তওফিক দিন।
Leave a Reply