1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিবালয়ে এক কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক শিবালয়ে সরকার বিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ভরা মৌসুমেও পদ্মা-যমুনায় মিলছে না ইলিশ হতাশ জেলেরা মানিকগঞ্জের গোবিন্দল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ট্রফি উন্মোচন শিবালয়ে অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য নির্মিত হচ্ছে হাসপাতাল মানিকগঞ্জে স্ত্রী ও কন্যা শিশুকে হ-ত্যার পর প্রবাসীর আত্ম-হত্যার অভিযোগ শিবালয় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হেনা মিয়ার ইন্তেকাল মানিকগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিবালয়ে ৫ লক্ষ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ শিবালয়ে মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আমাদের দেশে বাংলা ভাষায় ইসলামের প্রসার ঘটেছে

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২২৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীর কালজয়ী জীবনব্যবস্থা ইসলাম। ইসলামের উৎসধারা আরবি ভাষায় হলেও এর বিস্তৃতি ঘটেছে স্থানীয় ভাষায়। আমাদের এই অঞ্চলেও ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটেছে বাংলা ভাষায়। হাজার বছরের ঐতিহ্যমণ্ডিত এই ভাষার ওপর ভিত্তি করেই পীর-ওলি-দরবেশরা এই ভূখণ্ডে যুগে যুগে ইসলামের প্রসার ঘটিয়ে গেছেন। মাতৃভাষাতেই এখানকার মানুষেরা শিখেছেন ইসলাম। সে হিসেবে ইসলামের সঙ্গে বাংলা ভাষার যোগসূত্রতা অনেক গভীরে।

মাতৃভাষা চর্চার প্রতি ইসলাম বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। প্রত্যেক যুগে যেসব নবী-রাসুল প্রেরিত হয়েছেন তারা নিজ নিজ ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তাঁদের ওপর যেসব আসমানি কিতাব নাজিল হয়েছে সেগুলোর ভাষা ছিল ওই নবী-রাসুলদের স্বজাতির ভাষা। নবী-রাসুলদের কাছে পাঠানো আসমানি কিতাবসমূহ মাতৃভাষায় অবতীর্ণ না হলে সেগুলো তাঁদের জাতি ও সম্প্রদায় বুঝতে পারত না। ফলে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ত। মাতৃভাষার সঙ্গে প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর সভ্যতা ও সংস্কৃতি জড়িত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি প্রত্যেক রাসুলকেই তাঁর স্বজাতির ভাষাভাষী করে পাঠিয়েছি, তাদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য

’ (সুরা ইবরাহিম : আয়াত ৪)। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি আরবের শ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধভাষী; কুরাইশ গোত্রে আমার জন্ম।’ তিনি নিজে যেমন ভাষার প্রতি যত্নবান ছিলেন তেমনি অন্যদেরও যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করতেন।

আমাদের এই অঞ্চলে কোনো নবী-রাসুলের আবির্ভাব ঘটলে অবশ্যই তাদের ভাষাও হতো বাংলা। সেই নবীকে যে কিতাব দেওয়া হতো সেটার ভাষাও বাংলাই হতো। তবে নবী-রাসুলের আবির্ভাব না ঘটলেও যুগে যুগে যারাই এই অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রম আঞ্জাম দিয়েছেন তারা বাংলার ওপর ভিত্তি করে দিয়েছেন। আলেমসমাজ আরবি, উর্দু কিংবা ফারসি ভাষা থেকে দ্বীনের জ্ঞান আহরণ করলেও তারা জনসাধারণের মাঝে বাংলা ভাষায়ই দ্বীন প্রচার করেছেন এবং করছেন। সংশ্লিষ্টদের ভাষা ও সংস্কৃতি, তাদের আচার-আচরণ এবং জীবনবোধের দিকে লক্ষ রেখে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়- এটা দাওয়াতের স্বীকৃত কৌশল। সে হিসেবে ইসলামের দাওয়াতের উদ্দেশ্যে বাংলা ভাষা চর্চা করলে সেটা সওয়াবের কাজ বলেই গণ্য হবে।

বাংলার দামাল সৈনিকরা মাতৃভাষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিল। এ ভাষাভাষীর সংখ্যা হিসেবে বাংলা পৃথিবীর সপ্তম স্থানে রয়েছে। আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ মাতৃভাষার প্রতি আমাদের দক্ষতা অর্জন এবং অনুরাগী হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ইসলাম প্রচারে যারা কাজ করছেন তাদের আরও গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

দাওয়াতি কাজে ভাষার শুদ্ধতা চাই

মাসউদুল কাদির

প্রেসিডেন্ট, শীলন বাংলাদেশ

শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলা সুন্নত। রাসুল (সা.) শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতেন। সুন্দর উপস্থাপনায় দাওয়াতি কাজ করতেন। তিনি ছিলেন ‘আফসাহুল আরব তথা আরবের শ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধভাষী। মহানবী নিজেই বলেন, ‘আমি আরবের শ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধভাষী; কুরাইশ গোত্রে আমার জন্ম।’ ফলে নবীজি (সা.)-এর প্রতি মানুষ সহজেই আকৃষ্ট হতো।

মহানবীর উত্তরসূরি হিসেবে দ্বীনি দাওয়াতের ক্ষেত্রে আলেম-ওয়ায়েজদের উচিত শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা। কোনো এলাকার আঞ্চলিক ভাষা জানা থাকলেও সেই অঞ্চলে ওই আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার না করা। কারণ এতে কথার গুরুত্ব কমে যায়। বর্ণনাকারী বা উপস্থাপককে হালকা মনে করে মানুষ। হজরত মুসা (আ.) নবুয়্যতের দায়িত্ব পালনে তাঁর ভাই হারুনকে (আ.) সঙ্গে চেয়েছিলেন। কারণ তাঁর জবানে জড়তা ছিল আর হারুন (আ.) ছিলেন শুদ্ধ ভাষার উপস্থাপক।

প্রত্যেক নবীকে আল্লাহ তায়ালা নিজ জন্মভূমির ভাষা দিয়ে পাঠিয়েছেন। যাতে তাঁরা তাঁদের নিজ গোত্র বা লোকদের মাঝে সহজে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারেন। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন- ‘আমি এমন কোনো রাসুল পাঠাইনি, তবে তাঁর স্বজাতির ভাষা ব্যতীত, যেন তাদের জন্য তিনি সুস্পষ্ট বর্ণনা করতে পারেন।’ (সুরা ইবরাহিম : ৪)।

প্রত্যেক ভাষার শুদ্ধতা বা শুদ্ধ উচ্চারণের গুরুত্ব অপরিহার্য। শুদ্ধ ও প্রমিত ভাষার সুবিধা হলো, যেকোনো অঞ্চলের মানুষই সহজে বুঝতে পারে। তাই প্রত্যেক দ্বীনের দাঈকে শুদ্ধ ও প্রমিত ভাষা রপ্ত করা অবশ্য জরুরি। আমাদের দেশে বেশিরভাগ দাঈ নিজ নিজ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। এতে যেমন কথার গুরুত্ব হারায়, তেমনি সব এলাকার মানুষ কথাগুলো বুঝতেও সক্ষম হন না। শুদ্ধ ও প্রমিত ভাষার আবেদন বা আকর্ষণই আলাদা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘আর তার নিদের্শনাবলির মধ্যে হচ্ছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি, আর তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিঃসন্দেহে এতে নিদের্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য’ (সুরা রুম : ২২)। ভাষার গুরুত্ব এখানে স্পষ্ট। আরবি ভাষা উম্মতে মুহাম্মদির জন্য শ্রেষ্ঠ হলেও পূর্ববর্তী প্রত্যেক রাসুলকে কিতাব দান করেছেন তাদের মাতৃভাষায়। এতে প্রমাণ হয় প্রত্যেক দেশে শুদ্ধ মাতৃভাষায় দ্বীনি দাওয়াত তথা ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরা দাঈদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ভাষা-নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে

সাইফুল ইসলাম রিয়াদ

মুহাদ্দিস, মারকাযুল মাআরিফ

আল-ইসলামিয়া, ঢাকা

ভাষা আল্লাহ তায়ালার অন্যতম সেরা দান। আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে এক মহান নেয়ামত। কুরআন কারিমে তিনি ইরশাদ করেন, ‘তাঁর নিদের্শনাবলির মধ্যে রয়েছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য।’ (সুরা রুম : ২২)

সুতরাং এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা সবার একান্ত কর্তব্য। এ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের পদ্ধতি শুধু ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা নয়; বরং এর শুকরিয়া আদায়ের সঠিক পদ্ধতি হলো প্রত্যেকের নিজ নিজ ভাষাকে আপন করে নেওয়া এবং সেই ভাষায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করা। লেখা ও বলায় সেই ভাষার বিশুদ্ধ রূপটি ব্যবহার করা। সুস্পষ্ট ও সুন্দর করে কথা বলা। অশুদ্ধ ভাষা ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। সব নবী-রাসুল, সাহাবা, তাবেয়ীন এবং প্রত্যেক দেশের আলেম-ওলামা, জ্ঞানী-গুণীরা এভাবেই এই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেছেন। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলেছেন। বিশুদ্ধ ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। সুন্দর ও সুস্পষ্ট বাচনভঙ্গি আর আকর্ষণীয় ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে ইসলামের সুমহান বাণী সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। বিশুদ্ধ ভাষাই পারে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে।

একজন মানুষের ব্যক্তিত্বকে অর্থবহ করে যেসব গুণ, সেগুলোর মধ্যে বিশুদ্ধ ভাষা ও সুস্পষ্ট উচ্চারণে কথা বলা অন্যতম। নেতৃত্বের অন্যতম গুণ বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলা। নবী-রাসুলরা তাঁদের স্বজাতির ভাষায় সর্বশ্রেষ্ঠ সুভাষী হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন। বাগ্মী ও সুবক্তা ছিলেন। ভাষার সৌন্দর্য, আকর্ষণের চাকচিক্যময় অলংকার। এটি শুধু ব্যক্তিত্ব নয়, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, পেশাদার লেখক ও বক্তাদের জন্যও সমান গুরুত্ব বহন করে। ভাষার অমোঘ বয়ান একজন মানুষের শারীরিক, মানসিক, ধ্যান-ধারণা, সাহস, অভিজ্ঞতা, অভিরুচি, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, উদ্যোগ-উদ্দীপনার মিলিত আপেক্ষিকতার সরল সমাধান।

আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও বিশুদ্ধ ভাষা ব্যবহার করতেন। আরবি ভাষায় তাঁর এমন দক্ষতা ও নিপুণতা ছিল যে, মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবাই স্বীকার করতেন, তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ শুদ্ধভাষী। তাঁর ভাষা ছিল বিশুদ্ধ, উচ্চারণ ছিল সুস্পষ্ট এবং বাচনভঙ্গি ছিল প্রাঞ্জল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই ইরশাদ করেছেন, ‘আমাকে দান করা হয়েছে সর্বমর্মী বচন’ (মুসলিম : হাদিস ৫২৩)। বিশুদ্ধ ভাষায় সুন্দর ও সুস্পষ্টভাবে কথা বলা আমাদের প্রিয় নবীর সুন্নত। আমাদের বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে হবে। আলোচনায় সবাইকে মুগ্ধ করতে বিশুদ্ধ ভাষার বিকল্প নেই।

হৃদয়ে জড়িয়ে থাকুক মাতৃভাষার প্রেম

আবদুল কাইয়ুম শেখ

মুহাদ্দিস, জামিয়া ইসলামিয়া ইসলামবাগ, ঢাকা

বাংলা আমার মাতৃভাষা। বাংলা আমার মুখের, বুকের ও দুখের ভাষা। বাংলা আমার লেখা, পড়া ও বলার ভাষা। বাংলা আমার হাসি, কান্না, মন মনন ও চিন্তার ভাষা। বাংলা আমার মনের ভাব বিনিময়ের ভাষা। বাংলা আমার বায়ান্নের সাহস ও একাত্তরের অমর কবিতা। বাংলা আমার প্রভাতের কুয়াশামাখা সুবজ ঘাসের সজীবতা। বাংলা মসজিদের সুউচ্চ মিনার থেকে ভেসে আসা আজান, মুয়াজ্জিনের সুমধুর কণ্ঠে ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম’। বাংলা ভাষা রাখালের কণ্ঠে মায়াবি গান, বাংলা ভাষা মাল্লা-মাঝির সুরের মূর্ছনা ও তান। এই মাতৃভাষা বাংলার প্রেম হৃদয়ে সর্বদা লালন করি। তাই তো কাব্যাকারে বলি, ‘বাংলা আমার ভালোবাসা বাংলা আমার প্রাণ/ আমার ভাষার মোকাবেলায় সকল ভাষা ম্লান।’

মাতৃভাষা বাংলার প্রতি এই প্রেম, ভালোবাসা, আদর ও আহ্লাদ শিখিয়েছে একমাত্র ইসলাম। মদিনার নবীর মুখেও ছিল মাতৃভাষার গুণকীর্তন। মহান আল্লাহও মাতৃভাষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, ‘আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করে প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে’ (সুরা ইবরাহিম : ৪)। আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, ‘করুণাময় আল্লাহ। শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন, সৃষ্টি করেছেন মানুষ, তাকে শিখিয়েছেন ভাষা।’ (সুরা আর রাহমান : ১-৪)

আসমানি চার কিতাব মহান প্রতিপালক নাজিল করেছেন চার নবী ও তাঁদের উম্মতের মাতৃভাষায়। হজরত দাউদ (আ.)-এর কিতাব ‘জাবুর’ নাজিল করছেন ইউনানি ভাষায়। ইউনানি হজরত দাউদ (আ.)-এর মাতৃভাষা। মুসা (আ.)-এর কিতাব ‘তাওরাত’ নাজিল করেছেন হিব্রু ভাষায়। হিব্রু ইহুদিদের মাতৃভাষা।

ঈসা (আ.)-এর কিতাব ‘ইঞ্জিল’ নাজিল করেছেন গ্রিক ভাষায়। গ্রিক খ্রিস্টানদের মাতৃভাষা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর পবিত্র ‘কুরআন’ তাঁর মাতৃভাষা আরবিতে নাজিল করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি কুরআনকে আপনার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে আপনি এর দ্বারা খোদাভীরু লোকদেরকে সুসংবাদ দেন এবং কলহকারী সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন। (সুরা মারিয়াম : ৯৭)। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিসহ বছরের প্রতিটি দিনে আমাদের হৃদয়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক মাতৃভাষা বাংলার প্রেম ও ভালোবাসা।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :