1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

অন্যায় করলে দলিল লেখকরা আসামি হবেন: আইনমন্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৪ মার্চ, ২০২৩
  • ২৬৮ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দলিল লেখকরা অন্যায় করলে আসামি হবেন, অন্যায় না করলে হয়রানিমূলকভাবে আসামি করা যাবে না। দলিল লেখকরা অত্যন্ত বিবেচক, দেশের উন্নয়ন জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। দেশে কী হচ্ছে সেটা জনগণকে জানান রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিজেদের দাবি তুলে ধরলে জবাবে এসব কথা বলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার দুপুরে (৪ মার্চ) এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির দাবি, মামলায় দলিল লেখকদের আসামি করা যাবে না। সমিতির এমন দাবির বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দলিল লেখকরাও তো দেশের নাগরিক। আসামি করা যাবে না, এটা ক্যামনে বলি আমি। তাহলে তো আমার ব্যবসাই থাকবে না। তিনি বলেন, ব্যাপারটা হচ্ছে অন্যায় করলে আসামি হবেন। অন্যায় না করলে হয়রানিমূলকভাবে আসামি করা যাবে না। তা ছাড়া আপনারা অত্যন্ত বিবেচক, দেশের উন্নয়ন জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। দেশে কী হচ্ছে সেটা জনগণকে জানান।

মন্ত্রী বলেন, দলিল লেখকদের অপকার হয় এমন কোনো আইন এখনো করা হয়নি। দলিল লেখাটা অত্যন্ত প্রয়োজন, সাবরেজিস্ট্রার অফিস অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমি যখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলাম, এককথায় তিনি রাজি হয়ে গেলেন যে, প্রত্যেকটা উপজেলায় একটা করে সাবরেজিস্ট্রি অফিস হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলায় একটা করে সাবরেজস্ট্রি অফিস হবে। এটাকে বলা হবে সাবরেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স। এটাকে কমপ্লেক্স বলা হবে এ কারণে যে, এখানে যারা জমি বিক্রি করতে আসবেন এবং যারা কিনতে আসবেন তারা বসতে পারবেন। সেই সঙ্গে যারা দলিল লিখবেন তাদেরও বসার জায়গা হবে।

তিনি বলেন, আপনারা দাবি করছেন আমরা বসার ব্যবস্থা করছি। এ বিল্ডিং হলে আপনাদের বসার জায়গা হয়ে যায়। শেখ হাসিনার সরকারের আমলে কি আপনাদের আকাশের নিচে বসাতে পারি? আপনারা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সম্পাদককে স্বীকৃতি দিতে বলেছেন আমি এটা দিলাম।

আনিসুল হক বলেন- বিশ্বাস করেন, মাঝে মাঝে দলিল পড়তে গেলে মাথায় যা চুল আছে তাও পড়ে যায়। এরকম হাতের লেখা। দলিল লেখকদের সবচেয়ে বড় পুঁজি হাতের লেখা, দলিল লেখকদের সবচেয়ে বড় সম্পত্তি হচ্ছে হাতের লেখা, এটা হচ্ছে তাদের সবচেয়ে বড় পুঁজি। আপনাদের হাতের লেখা যার ভালো না, তার লেখাটা চেষ্টা করলেই ভালো হয়। আইনটা জানা, আইনও জানতে হয়। স্ট্যাম্পট অ্যাক্ট জানতে হয়, সিভিল প্রসিডিউর জানতে হয়। সবকিছু জানতে হয়, এর জন্য প্রশিক্ষণ দরকার। এটার ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু প্রশিক্ষণটা কীভাবে হবে, এটা আমাকে একটু সময় দেন, আমি আগামী নির্বাচনের পর নূরে আলমসহ (দলিল লেখক সমিতির সভাপতি) আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই একটা ছক তৈীর করবো, ছক তৈরি করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো।

মন্ত্রী বলেন, দেখুন এটা অর্থের ব্যাপার,তাই না? আমি আপনাদের মন জয় করার জন্য আর আপনারা আমাকে বাহবা দেবেন, এ কারণে এখন একটা ওয়াদা দিলাম, আমি এ ক্যাটাগরির না। আমি আপনাদের দাবিটা আমাদের সবার অবিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাবো। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সবকিছু বিবেচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো।

আনিসুল হক বলেন, যুক্তির কথা বললে আপনারাও শোনেন, আমিও শুনি। এখন কথা হচ্ছে যে, দাবি-দাওয়ার কথাও শেষ করলাম, আরও কিছু আছে, এগুলো পড়বো। আপনাদের পরিষ্কার করতে চাই, যেটা যুক্তিসংগত হবে, ইনশাআল্লাহ্ সেটা মেনে নেবো। যেটা যুক্তিসংগত হবে না সেটা আবার আপনাদের কাছে নিয়ে আসবো। এটা আপনাদের সঙ্গে আলোচনায় থাক। আপনাদের তো মনে আছে, আমারও মনে রাখতে হবে, আমরা কখনোই কাউকে আমাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করতে দেবো না।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আপনারা বিশ্বাসের সঙ্গে তাদের (জনগণের) কথাগুলো শোনেন এবং ধারণ করেন। আপনারা হচ্ছেন আমাদের সঙ্গে এবং জনগণের সঙ্গে। অনেক সময় জনগণ হয়তো আমাদের সঙ্গে বা তাদের এমপিদের সঙ্গে মনের কথা বলতে পারেন না। তাদের দুঃখের কথা বলতে হয়তো সময় পান না। কিন্তু আপনাদের বলেন, সবাইকে সেটা বলতে পারেন না। সেটা আপনাদের সঙ্গে বলে থাকেন।

তিনি বলেন, আপনাদের দায়িত্ব কিন্তু অপরিসীম। আপনারা জনগণের পরম বন্ধু। আপনারা অত্যন্ত বিচক্ষণভাবে, অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে জনগণের এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আপনাদের কাজটা অত্যন্ত পবিত্র। তারা অত্যন্ত কষ্টের টাকা দিয়ে একটা সম্পত্তি কেনেন, আর একজন তার কষ্টের সময় সম্পত্তিটা বিক্রি করে টাকা লেনদেন করে থাকেন, আপনারা সেই কাজটা সহজ করে দেন।

সমিতির সভাপতি মো. নূর আলম ভূ্ঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, সমিতির উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বাবু, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব ও নিবন্ধন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিদর্শক ড. খান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :