1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

বর্তমান দেশের ২৪ ভাগ মানুষ নিরক্ষর

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৩ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে দেশে সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ০৮ শতাংশ। এখনও ২৩ দশমিক ৯২ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর। বেসরকারি হিসাবে, নিরক্ষরের এই হার আরও বেশি। এ অবস্থায় আজ শুক্রবার সারা বিশ্বের সঙ্গে আমাদের দেশেও নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৩’। ইউনেস্কো এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘পরিবর্তনশীল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সাক্ষরতার প্রসার’।

দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, সাক্ষরতা ও উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এর একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি চিন্তা করা যায় না। বর্তমান সরকারের নানামুখী কর্মসূচির কারণে পূর্বের তুলনায় সাক্ষরতার হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শতভাগ জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান দিতে বর্তমান সরকারের নিরলস প্রয়াস অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ঘোষণা ছিল ২০১৪ সালের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করা হবে। এরপর প্রায় ১৫ বছর পার করলেও সে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে হবে। কিন্তু যে গতিতে সাক্ষরতা কার্যক্রম চলছে তাতে এ সময়ের মধ্যে প্রকৃত অর্থেই দেশ নিরক্ষরমুক্ত করা সম্ভব নয়। এমনকি সাক্ষরতার হার বাড়াতে কার্যকর কোনো উদ্যোগও নেই। শুধু দিবস এলেই সাক্ষরতার বিষয়টি মনে করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালে দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০২০ সালে ছিল ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২১ সালেও সাক্ষরতার হার একই বলে জানানো হয়েছে। আর সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৭৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে দেশে নিরক্ষরতা দূরীকরণ এবং শিক্ষাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সাক্ষরতা বিস্তারে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয়। ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানটি হয় ঠাকুরগাঁওয়ে। ওই দিন ঠাকুরগাঁওয়ের কচুবাড়ী-কৃষ্টপুর গ্রামকে বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরতামুক্ত গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা  সভা, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পোস্টার প্রকাশ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এ-সংক্রান্ত টক শো ও প্রতিবেদন প্রকাশ। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রধান কার্যালয়ে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গণসাক্ষরতা অভিযান মহামারি পরবর্তী স্কুলের শিক্ষা নিয়ে ‘এডুকেশন ওয়াচ ২০২২’ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :