1. id69_178fc3@local.host : id69_178fc3 :
  2. shahjahanbiswas74@gmail.com : Shahjahan Biswas : Shahjahan Biswas
  3. ssexpressit@gmail.com : sonarbanglanews :
  4. wp2_de0746@wp2shell.invalid : wp2_de0746 :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

খালেদা জিয়াকে আরও কয়েক দিন হাসপাতাল থাকতে হবে

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৪ জুন, ২০২৩
  • ২৭৯ বার পড়েছেন

অনলাইন ডেস্ক: হঠাৎ পেটে ব্যথার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সপ্তমবারের মতো রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ব্যথা কার্ডিয়াক এরেস্ট অর্থাৎ হৃদযন্ত্রের কোনো সমস্যা কি না তা নির্ণয়ের চেষ্টা করছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

বোর্ডের একজন সদস্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সময়ের আলোকে জানান, খালেদা জিয়া হঠাৎ পেটে ব্যথা অনুভব করেন সোমবার মধ্যরাতে। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কেননা একেবারে কোনো লক্ষণ ছাড়াও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আঘাত হানতে পারে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। তাই দেরি না করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। সঙ্গে এক্স-রে ও রক্তের একাধিক পরীক্ষা করা হয়। এগুলোর রেজাল্টও ভালো। মঙ্গলবার রাতেই থরো চেকআপ (পুরো বডি) করার কথা।

এই চিকিৎসক জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের ফুড পয়জিংও দেখা দিয়েছিল। তবে তা কমে গেছে। সব মিলিয়ে খালেদা জিয়াকে আরও কয়েক দিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

হাসপাতালের উদ্দেশে গত সোমবার রাত ১টার পর বিএনপি চেয়ারপারসন গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বের হন।

সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল কিছু উপসর্গের কারণে পরীক্ষা করানোর জন্য নেওয়া হয় হাসপাতালে।

সবশেষ গত বছরের ১১ জুন এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার হৃদপিণ্ডের ব্লক অপসারণ করে একটি স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। ৭৭ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদপিণ্ডে জটিলতা, ফুসফুস, চোখ ও দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন। এ জন্য ২০২১ সালের এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর অসুস্থতা নিয়ে এর আগেও তাকে ৬ বার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসকের অধীনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

জানা গেছে, অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদার ছাড়াও মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী, অধ্যাপক নুর উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক শামসুল আরেফিন, অধ্যাপক একিউএম মহসিন, অধ্যাপক শেখ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক জিয়াউল হক এবং অধ্যাপক সাদেকুল ইসলাম। এ ছাড়া লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিএনপি চেয়ারপারসনের মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট এবং পরে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় দণ্ড হওয়ার দুই বছর পর ‘সাময়িক মুক্তি’ পান। এই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ ছিল ছয় মাস। পরে সপ্তমবারের মতো বাড়ানো হয় মেয়াদ। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থায়ী কমিটির মতামতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি দল পরিচালনা করছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :