
অনলাইন ডেস্ক: জিজ্ঞাসা : আমি গত বিশ্ব ইজতেমায় গিয়েছিলাম। নামাজের সময় মানুষ বেশি হওয়ার কারণে প্যান্ডেলে জায়গা পাইনি। তাই রাস্তায় নামাজ পড়ি। রাস্তা গরম হওয়ার কারণে সেজদা পাগড়ির প্যাঁচের ওপর করেছি। আবার পাশের এক মুসল্লিকে দেখেছি যে, সে গরমের কারণে কপাল মাটিতে লাগায়নি বরং মাথার ওপরই সিজদা করেছে। এ কারণে কি নামাজের কোনো সমস্যা হয়েছে?
মুহাম্মদ শওকত নোয়াখালী
জবাব : প্রচণ্ড রোদের কারণে উত্তপ্ত জমিনে সেজদা করতে কষ্ট হলে পাগড়ি বা টুপির একাংশ কপালের ওপর টেনে নিয়ে তার ওপর সেজদা করা যাবে। এতে নামাজ মাকরুহ হবে না। সাহাবায়ে কেরাম থেকেও প্রচ- শীত বা গরমে সরাসরি মাটিতে সেজদা করতে কষ্ট হওয়ার কারণে পাগড়ির প্যাঁচের ওপর সেজদা করা প্রমাণিত (বুখারি : ১/৫৬)। তবে ওই ধরনের বিশেষ ওজর ছাড়া পাগড়ি বা টুপির কোনো অংশের ওপর সেজদা করা মাকরুহ। কেননা হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (সা.) এক ব্যক্তিকে পাগড়ির প্যাঁচের ওপর সেজদা করতে দেখে তার কপালের দিকে ইশারা করে বলেন, তোমার পাগড়ি আরও ওঠাও (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা : ২/৫০০)। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকেও বর্ণিত আছে, তিনি পাগড়ির প্যাঁচের ওপর সেজদা করাকে অপছন্দ করতেন (মুজামুল আওসাত : ৩/৩৪৩)। আর কেউ যদি সেজদাতে জমিনে শুধু মাথা রাখে অর্থাৎ চুলের অংশ জমিনে রাখে কপালের কোনো অংশই জমিনে না লাগে তবে তার সেজদা আদায় হবে না। তাই তার নামাজও হবে না। কারণ সেজদার অঙ্গ কপাল, মাথা নয়। (আলবাহরুর রায়েক : ১/৩১৯; ফাতহুল কাদির : ১/২৬৫; আদ্দুররুল মুখতার : ১/৫০০)
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com