
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঘন কুয়াশার কারণে ৭ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর আরিচা-কাজিরহাট এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় ঘণ কুয়াশা কেটে গেলে উক্ত নৌরুটগুলোতে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে রবিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত ৬ঘন্টা আরিচা-কাজিরহাট এবং রবিবার দিবগত রাত ১২টা ২০মিনিট থেকে সোমবার সকাল ৭ টা পযন্ত ৭ঘন্টা পাটুরিয়া -দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা আঞ্চলিক অফিসের ডিজিএম নাসির মাহমুদ চৌধুরী।
এসময় ৪টি ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন,কপোতী,শাহ পরান এবং বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে কনেকনে শীতের মধ্যে মাঝ পদ্মায় নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয়। ৫টি ফেরি কুমিল্লা,বনলতা,বিএস ডাঃ গোলাম মাওলা, কেরামত আলী এবং হাসনাহেনা পাটুরিয়া ঘাটে এবং ২টি ফেরি বাইগার ও বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর দৌলতদিয়া ঘাটে নোঙর করে থাকে। অনুরূপ আরিচা ও কাজিরহাট ঘাটেও ফেরিগুলো যানবাহন বোঝাই করে নোঙর করেছিল।
এ সপ্তাহে পর পর দু’দিনই সন্ধ্যার পর পরই পদ্মা-যমুনা অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে থাকে।রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘণত্বও বাড়তে থাকে।এসময় নৌপথ দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যায় এবং ফেরি চলাচল ঝুকিপূ্র্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় ফেরি চলাচলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা থাকে বলে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেন।ঘণকুয়াশা কেটে গেলে আবার ফেরি চলাচল শুরু হবে। উক্ত নৌরুটগুলোতে গতকাল রবিবার ৩ ঘন্টা ঘণকুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল বলে অফিস সুত্রে জানা গেছে।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা আঞ্চলিক কাযার্লয়ের ডিজিএম মো.নাসির মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঘণকুয়াশা নৌপথ দৃষ্টিসীমার বাহিরে চলে যায়। এসময় ফেরি চালানো খুবই ঝুঝিপূ্র্ণ পড়ে।তাই দুর্ঘটনা এড়াতেই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে আরিচা-কাজিরহাট রবিবার দিবগত রাত ১টা থেকে এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রাত ১২টা ২০ মিনিট থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। ঘণকুয়াশা কেটে গেলে সোমবার সকাল ৭ টা থেকে উক্ত নৌরুটগুলোতে আবার ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শাহজাহান বিশ্বাস
অফিস : আরিচা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮০০
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১১ ৭৩৩ ৬৫১, ই-মেইল : sbnews74@gmail.com